ঘড়ির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছে জীবন। তাকে যোগ্য সহ্গত দিচ্ছে অপিসের চাপ, ডেডলাইন, টার্গেট, পারিবারিক কতাজ সামলানো, সন্তানের পড়াশোনা, নিজের টুকটাক ব্যক্তিগত কাজের ফাঁকে শরীরের প্রতি নজর দেওয়ার ফুরসত মেলে না। আর সে সবের ঘাটতিতেই শরীরে বাসা বাঁধে নানা লাইফস্টাইল ডিজিজ। সঙ্গে উপরি পাওনা মেদ

বিশেষ করো কোমর ও পেটেই জমা হয় শরীরের বাড়তি মেদের বেশির ভাগ অংশ। সময় করে শরীরচর্চা বা ডায়েটের শৌখিনতা বজায় রাখাও যে সব সময় সম্ভব হয় এমন নয়। তবে ফিটনেস বিশেষজ্ঞ ও পুষ্টিবিদদের মতে, মেদ ঝরানোর কোনও শর্টকাট হয় না। শরীরচর্চা ও ডায়েট মেন চলতেই হয়। তবে মেদ ঝরাতে কিছু ঘরোয়া উপায়ও কাজ অনেকটা সহজ করে দেয়।

‘‘মধু-লেবুর জল নিয়ে অনেক দ্বিমত আছে। কারও ক্ষেত্রে কাজ করে, কারও আবার করে না। তবে মধু বাস্তবিকই ফ্যাট লুজার সঙ্গে শরীরের গরম জলে লেবু মিশিয়ে খেলে তা টক্সিন বার করে জলের চাহিদা তৈরি করে। শরীর এতে টোন্‌ড হয় তো বটেই। তাই মধু ও লেবুর আলাদা উপকারিতা তো আছেই।’’— মত পুষ্টিবিদ সুমেধা সিংহের।

আরও পড়ুন: রক্তচাপ ওঠা-নামা করে প্রায়ই? এ সব নিয়মে সুস্থ থাকুন

পেটের মেদে অন্যতম সেরা অস্ত্র তুলসী চা। ছবি: শাটারস্টক।

তবে ঘরোয়া উপায়ের মধ্যে আরও যে পানীয়টিতে উপকার মেলে, তাতে মধু-লেবুর সঙ্গে যোগ হয় তুলসী পাতার গুণও। সর্দি-কাশিতে তো বটেই, পেটের মেদ ঝরাতেও তুলসী চা অত্যন্ত কার্যকর একটি পানীয়। কী ভাবে বানাবেন তুলসী চা জানেন?

উপকরণ: তুলসী পাতা, দেড় কাপ কাপ জল, আধ চামচ মধু ও অধখানা লেবু ও গ্রিন টি।

আরও পড়ুন: শ্বাসকষ্টে প্রায়ই ভোগেন? অসুখ বিয়োগে যোগেই আস্থা রাখুন

পদ্ধতি: দেড় কাপ জল নিয়ে ফোটাতে বসান। একটু ফুটে উঠলে তাতে চার-পাঁচটা তুলসী পাতা দিন। জল আর একটু ফুটতে দিন। এ বার তাতে মধু যোগ করুন। জল শুকিয়ে এক কাপের মতো হয়ে এলে নামিয়ে এতে গ্রিন টি-র ব্যাগ ডুবিয়ে লেবুর রস যোগ করুন। প্রতি দিন দু’বার করে এই চা খেলে পেটের মেদ ঝরানোর কাজে অনেকটা এগিয়ে থাকা যাবে। তবে এই ধরনের পানীয় খাওয়ার সঙ্গে ঘাম ঝরিয়ে শরীরচর্চা ও অল্পবিস্তর নিয়ম করে খাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুমকেও সঙ্গী করতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।