শীত পেরিয়ে বসন্ত আসা মানেই দোল উৎসবের জন্য প্রহর গোনা। দেখতে দেখতে চলেও এল সেই রঙিন হওয়ার দিন। হাতে আর মাত্র কয়েক দিন। তার পরেই রঙের উৎসবে মেতে উঠবে শহর থেকে শহরতলি। ইতিমধ্যেই সেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন অনেকে। পাড়ার সকলের সঙ্গে সকালবেলা দোলখেলা সেরে অনেকেই বিকেলের দিকে বাড়িতে একটা উদ্যাপনের পর্ব থাকে। রং খেলা, চুটিয়ে গল্প, নাচ-গান, দেদার ভূরিভোজ— বাড়িতেই জমে যাবে দোলের আড্ডা।
উপলক্ষ যা-ই হোক, বাড়িতে কোনও উৎসবের আয়োজন করা মানেই আলাদা করে গোছগাছের একটা পর্ব চলে। শুধু উদ্যাপন করলে তো হবে না, উৎসবের আবহ তৈরি করতে হবে।তাই উৎসব পালনের পাশাপাশি অন্দর সজ্জার দিকেও মন দিতে হবে। হাতে এখনও কিছুটা সময় রয়েছে। রঙের উৎসবকে আরও রঙিন করে তুলতে এখন থেকেই ঘর সাজানোর পরিকল্পনা শুরু করুন।
আরও পড়ুন:
রঙিন পোস্টার টাঙান দেওয়ালে
ঘরে ঢুকেই প্রথমে অতিথিদের চোখ যাবে দেওয়ালের দিকে। তাই রঙের দিনে দেওয়ালগুলি রংহীন থাকলে, খারাপ দেখাবে। তার চেয়ে দোকানে বিভিন্ন ধরনের রঙিন সব পোস্টার পাওয়া যায়। সেগুলি পছন্দমতো কিনে দেওয়ালে টাঙাতে পারেন।
সোফার কুশনে থাক রঙের ছোঁয়া
সোফার উপর থরে থরে রাখা কুশনগুলি সাজান রঙিন কভারে। উৎসবের সঙ্গে ঘরের সাজের সামঞ্জস্য না রাখলে চলে না। কুশনে রঙিন কভার পরাতে পছন্দ না করলে, অন্তত এই রঙিন সময়ে রংচঙে ঢাকনা পরাতে পারেন।
রঙিন ফুলে ঘর সাজান
বসন্ত মানেই তো পলাশের মরসুম। দোল উৎসবে অন্দরসজ্জায় থাকুক পলাশের ছোঁয়া। দোলে ঘরের সাজ হবে যথাযথ। তবে পলাশ ছাড়াও অন্যান্য রঙিন ফুলেও এই সময়ে ভরে উঠুক ঘরের প্রতিটি কোণ।
দোলে ঘর সাজান নানা রঙের ফুল দিয়ে। ছবি: সংগৃহীত।
নানা রঙের আলো
রঙের উৎসব যখন, তখন ঘরে আলোর সাজে থাকতেই হবে চাকচিক্য। অনুষ্ঠানের আয়োজন যখন বিকালে, তখন আলোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ঘর এবং ব্যালকনি সাজাতে পারেন নানা ধাঁচের রঙিন আলোয়। ল্যাম্প হতে পারে, রঙিন বাল্ব হতে পার কিংবা টুনিলাইট হতে পারে। তবে যা-ই হোক, ঘর যেন আলোয় সেজে ওঠে।
রঙিন পর্দা
ঘরে বসন্ত আনতে কিন্তু কয়েকটি রঙিন ফুলছাপ পর্দা যথেষ্ট। বসন্ত উৎসবের আগেই বদলে যাক ঘরের পর্দাগুলি। তা হলেই ঘরের অর্ধেকটা মুড়ে যাবে পছন্দের রঙে। একরঙা পর্দার ক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন হলুদ কিংবা বাসন্তী রং। পলাশের মতো লালের আভাও থাকতে পারে পর্দার রঙে।