পুষ্টিগুণে ভরপুর, আয়রনের অন্যতম উৎসকে যদি প্রতি দিন ডায়েটে রাখা যায়, তা হলে অসুখবিসুখের সঙ্গে লড়াই যেমন সহজ হয়, তেমনই ওবেসিটিকে কব্জা করার উপায়ও হাতের কাছেই মেলে। তাই খেজুরকে ডায়েটে রাখার কথা বলে থাকেন প্রায় সব পুষ্টিবিদই। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ০.০৯ গ্রাম আয়রন থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই এই খেজুর থেকে মেলে।

ডায়াবিটিস থাকলে অনেক সময় প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। শুকনো খেজুরেও শরীরের দরকারি খনিজ মেলে। ভিটামিনেও চাহিদাও পূরণ হয়। মরু অঞ্চলের এই ফলের ওষধিগুণ ও স্বাদ, দুই কারণেই এটি জনপ্রিয়। প্রতি দিন ডায়েটে এই ফল রাখলে কী কী উপকার হয় জানেন? পুষ্টিবিদ সুমেধা সিংহ জানালেন সে সব তথ্য।

তাঁর মতে, “সারা দিনের ফলে যদি দু’টুকরো খেজুরও রাখা যায়, তা হলে তাও অনেকটা কাজে আসে শরীরে। খেজুরে আলাপ জীবনে কতটা স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও খেজুর যে স্বাস্থ্যের কথা বলে, তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই।” কী কী উপকার মিলবে খেজুরের হাত ধরে জানেন?

আরও পড়ুন: বয়সের ছাপ পড়ছে মুখে? এই সব ঘরোয়া উপায়েই সরবে বলিরেখা

সোরিয়াসিস নিয়ে ভুল ধারণা কাটিয়ে এই সব মানলেই থাকবেন সুস্থ

  • খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। এতে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম আছে। ফাইবারের জোগানও যথেষ্ট। তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারলে শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলি সহজেই মেলে।

  • রক্তাল্পতা আছে এমন রোগীর ক্ষেত্রে খেজুর খুবই প্রয়োজনীয়। এক জন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।

  • চিনির অন্যতম সেরা বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়। আজকাল খেজুরের গুঁড়োকেও চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। তাই চিনির ক্ষতি এড়াতে খেজুর ব্যবহার করতেই পারেন।

  • হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে খেজুরের ভিতরে থাকা নানা খনিজ। তাই হার্টের স্বাস্থ্যের পক্ষে এই ফল উপকারী।

  • খেজুরে থাকা সোডিয়াম রক্তের চাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীর ডায়াটে খেজুর রাখা উচিত।

  • খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনার স্বাস্থ্যকে ভাল রাখে।