সকালে খাওয়ার বিশেষ সময় নেই? ২-৪টে বাদামের সঙ্গে দু’টি খেজুর খেলেই বেশ কিছু ক্ষণের জন্য নিশ্চিন্ত। ক্যালোরি অনেক, পুষ্টিগুণে ভরপুর। হালকা রসালো খেজুরও বেশ স্বাদুও। স্মুদি থেকে চাটনিতে স্বাভাবিক মিষ্টত্ব জুড়তে ব্যবহার করা যায় ফলটি। বাজারে নানা ধরনের খেজুর মেলে। কোনওটি লম্বাটে, কোনওটি খানিক শক্ত, কোনও হালকা খয়েরি কোনওটি আবার কালচে। ‘মাজাফতি’, ‘মেজদুল’-সহ রকমারি খেজুরের মধ্যে ভাল মানের ফল বাছাই করবেন কী ভাবে?
রঙেই পরিচয়: খেজুরের যেমন বৈচিত্র আছে, তেমনই রঙেরও ফারাক আছে। কোনওটি হালকা হলদেটে, কোনওটি খয়েরি, কোনটিতে আবার গাঢ় রং। সাধারণত, কম পাকা খেজুর হলদেটে হতে পারে। খেজুর যত পাকবে, রংও ততই গাঢ় হবে।
গায়ের রূপ: কোনও খেজুর হল তেলা, কোনওটিতে থাকে কোঁচকানো ভাব। কোনওটি খানিক শুকনো, কোনওটি রসালো। বিভিন্ন জাতের খেজুর বিভিন্ন রকম হলেও, খুব বেশি কোঁচকানো হলে, ধরতে হবে সেটি শুকনো। বরং তুলনায় একটু তেলাভাবের খেজুর বেশি ভাল হতে পারে। হাত দিয়ে চেপে দেখুন, সেটি হালকা নরম কি না।
গন্ধ: খেজুরের তীব্র গন্ধ না থাকলেও, তার নিজস্ব গন্ধ খাওয়ার সময় ঠিকই টের পাওয়া যায়। যে কোনও ফল ভাল মানের হলে সেটি তার গন্ধে বোঝা যায়। যদি খেজুর মুখে দিলে মনে হয়, স্বাদ বা গন্ধ ঠিক লাগছে না, তবে বাদ দেওয়াই ভাল।
কতটা নরম: খেজুরে হালকা চাপ দিয়ে দেখুন। বেশি তলতলে হলে বা আলতো চাপেই বীজ বেরিয়ে এলে বুঝবেন, তাতে আর্দ্রতা বা রসের মাত্রা বেশি। ভাল খেজুর হবে হালকা নরম, বাইরেটা থাকবে অল্প একটু শক্ত। তবে খেজুরের প্রজাতির উপর এটি খানিক নির্ভর করে। সাফাই খেজুরের চেয়ে মেজদুল সাধারণত নরম হয় বেশি।
প্যাকেজিং: কেনার সময় খেজুরের প্যাকেট পরীক্ষা করে নিন। কাটা বা ফাটা থাকলে সেটি বাদ দিন। ভাল মানের খেজুর কেনার সময় প্যাকেজিং গুরুত্বপূর্ণ। প্যাকেজিংয়ে সমস্যা থাকলে খেজুর নষ্ট হয়ে যেতে পারে।