Advertisement
২৩ এপ্রিল ২০২৪
Marriage

ধর্মঘটে স্তব্ধ গোটা শহর, গাড়ি না পেয়ে সারা রাত পায়ে হেঁটেই বিয়ের মণ্ডপে পৌঁছলেন বর

বিয়ের আগের দিনই বিভিন্ন দাবিতে গাড়ি ধর্মঘট ডেকেছেন চালকরা। গাড়ি না পেয়ে সারা রাত ধরে পায়ে হেঁটে ২৮ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে বিয়ে করতে গেলেন বর।

Symbolic Image.

পায়ে হেঁটে বিয়ে করতে গেলেন বর। প্রতীকী ছবি।

সংবাদ সংস্থা
কটক শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৩ ১১:৩৪
Share: Save:

গাড়ি চালকরা ধর্মঘট ডেকেছেন। সব ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ। একটাও গাড়ি না পেয়ে ২৮ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে বিয়ে করতে গেলেন বর। ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার রায়গড় জেলায়। বরযাত্রী সহ নতুন বরের পায়ে হেঁটে বিয়ে করতে যাওয়ার সেই ভিডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে।

পাত্রের বা়ড়ি রায়গড় জেলার সুনাখান্ডি পঞ্চায়েত এলাকায়। পাত্রীর বাড়ি সেখান থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে কল্যাণসিংহপুর ব্লকের দিবালপাডু গ্রামে। বিয়ের তারিখ যখন ঠিক করা হয়েছিল, তখন ধর্মঘটের হওয়ার কথা ছিল না। বিয়ের এক দিন আগেই তাঁরা গাড়ি ধর্মঘটের কথা জানতে পারেন। মাথায় হাত পড়ে সকলের। কী ভাবে পাত্রীর বাড়ি পৌঁছবেন তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন বর-সহ অন্য বরযাত্রীরা। তবে শেষ পর্যন্ত পাত্র নিজেই সমাধান সূত্র খুঁজে বার করেন। তিনি জানান, গাড়ি না পেলে পায়ে হেঁটেই বিয়ে করতে যাবেন।

সেই মতো বাড়ির কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে বিয়ের এক দিন আগেই হবু শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েন পাত্র। সারা রাত হাঁটলেন। বিয়ের দিন নির্ধারিত সময়ে পাত্রীর বাড়ি পৌঁছন তাঁরা। কিছু ক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বিয়েতে বসেন বর। তার পর সুষ্ঠু ভাবেই সম্পন্ন হয় বিয়ে। কিন্তু বিয়ের পর নতুন বউকে নিয়ে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার ঝুঁকি নেননি বর। কয়েকজন আত্মীয়কে নিয়ে আপাতত শ্বশুরবাড়িতেই রয়েছেন। ধর্মঘট শেষ হলে নববধূকে নিয়ে গাড়ি করে বাড়ি ফিরবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

চলতি সপ্তাহের মাঝবরাবর গোটা ওড়িশা জুড়ে গাড়ি চালকরা ধর্মঘট ডেকেছেন। জীবনবিমা, পেনশন-সহ একাধিক দাবি নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছেন। জানা গিয়েছে, ওড়িশা সরকার চালকদের দাবিপূরণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

অন্য বিষয়গুলি:

Marriage Groom
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE