পুজোয় শহরবাসী কব্জি ডুবিয়ে খাবে, অথচ পাতুরি-ফিসফ্রাই পড়বে না পাতে, তা আবার হয় না কি? কিন্তু হয় না বললেই বা শুনছে কে?  ভেটকির যা দাম! একটু ‘স্ট্যান্ডার্ড’ রেস্তরাঁয় একটা ফ্রাই পেতেই খসাতে হচ্ছে কম করে ১৫০ টাকা, পাতুরি তো আরও বেশি। ‘মৎস্য মারিব খাইব সুখে’-র দিনকাল অধরা।

ভেটকি না পেয়ে অগত্যা হাত বাড়াতে হচ্ছে বাসা বা আড় মাছের দিকে। কিন্তু তার স্বাদ আর ভেটকির মতো মনোহরণ করতে পারে কি?  ভোজনরসিকরাই বোঝেন এই স্বাদের মর্মার্থ।

আর বুঝেছে রাজ্য সরকারের মৎস্য দফতর। পুজোয় এ বার বাঙালির পাতে সস্তায় ‘ভেটকি’ তুলে দিতে গ্রুপারের শরণ নিয়েছে মৎস্য উন্নয়ন নিগম।

আরও পড়ুন

কিছুতেই টাকা জমাতে পারেন না? এ অভ্যাসগুলো আজই ছাড়ুন

আইসক্রিমের জেরে এ বার অফিসের সেরা সহকর্মী!

মাত্র ৩৫০ টাকা কেজিতেই মেলে গ্রুপার। ছবি: শাটারস্টক।

গ্রুপার কী

মৎস্য দফতর সূত্রে খবর, ইউরোপে এই মাছ ভাজাভুজি বা স্ন্যাক্স বানাতে খুব কাজে আসে। স্বাদ ভেটকির মতোই। তবে দাম প্রায় অর্ধেক। এ দেশে বিশাখাপত্তনমের গবেষণাগারে সেই মাছের প্রকরণ তৈরি শুরু হয়েছে। পুজোর আগেই সেখান থেকে প্রচুর গ্রুপার কলকাতার বাজারে ঢুকবে। মানুষের স্বাদ যাচাই করে, পুজোর মুখে আরও গ্রুপার আনা হবে কলকাতায়। বড় ভেটকির কিলো যেখানে ৬০০-৭০০ টাকা, সেখানে মাত্র ৩৫০ টাকা কেজিতেই মেলে গ্রুপার।

কাজেই পাতুরি-ফিসফ্রাই-ও হবে, আবার ভেটকির স্বাদও লেগে থাকবে মুখে। এ বার পুজোয় তাই মৎস্য দফতরের নানা স্টলে এই মাছের স্বাদ নিতে ভুলবেন না যেন!