Advertisement
E-Paper

Rocket Scientists: বুদ্ধিমত্তায় মোটেই এগিয়ে নেই রকেট-বিজ্ঞানী, স্নায়ুবিজ্ঞানীরা, আমরাও হতে পারি: গবেষণা

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘দ্য বিএমজে’-র বড়দিন সংখ্যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১৭:১৬
বুদ্ধিমত্তায় প্রায় সমান সমানই রকেট বিজ্ঞানী ও স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। -প্রতীকী ছবি।

বুদ্ধিমত্তায় প্রায় সমান সমানই রকেট বিজ্ঞানী ও স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। -প্রতীকী ছবি।

চাইলে আপনিও হতে পারেন রকেট-বিজ্ঞানী। হতে পারেন স্নায়ুবিজ্ঞানীও।

অন্তত সাধারণ মেধার নিরিখে এক জন রকেট-বিজ্ঞানী বা স্নায়ুবিজ্ঞানীর চেয়ে আমি, আপনি এক কদমও পিছিয়ে নেই।

এমনটাই জানাল সাম্প্রতিক একটি গবেষণা। যা ‘এটা রকেট-বিজ্ঞান নয়’ বা ‘এটা স্নায়ুবিজ্ঞান নয়’, এমন কথা বলার ‘ঔদ্ধত্য’কে চ্যালেঞ্জ জানাল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

গবেষণাটি চালিয়েছেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। যার নেতৃত্বে ছিলেন ইনগা ইউশারের মতো বিশিষ্ট স্নায়ুবিজ্ঞানী।

কিন্তু রকেট বিজ্ঞানীদের সঙ্গে নিজেদের মেধা মাপার দাঁড়িপাল্লায় তাঁরা স্নায়ুবিজ্ঞানীদের দিকে ঢলে পড়েননি। তাঁদের গবেষণা এটাও দেখিয়েছে— রকেট-বিজ্ঞানী বা স্নায়ুবিজ্ঞানী হওয়াটা দুঃসাধ্য ব্যাপার নয়। চাইলে, নিজের মন, প্রাণ নিবেদন করলে আমি, আপনিও পারি রকেট-বিজ্ঞানী বা স্নায়ুবিজ্ঞানী হতে।

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘দ্য বিএমজে’-র বড়দিন সংখ্যায় (‘ক্রিসমাস এডিশন’)।

বুদ্ধিমত্তায় কে কতটা এগিয়ে জানতে গবেষকরা রকেট-বিজ্ঞানী ৩২৯ জন এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার এবং ৭২ জন স্নায়ুশল্যবিদের (‘নিউরোসার্জেন’) দু’টি দলকে আলাদা ভাবে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করেছিলেন। দেখতে চেয়েছিলেন মাপতে চেয়েছিলেন তাঁদের বুদ্ধিমত্তার দৌড় কতখানি। দেখা হয় তাঁরা অঙ্ক কষতে কতটা দক্ষ। স্মরণশক্তি কেমন। যুক্তিবোধ কতটা, কী ভাবে কাজের পরিকল্পনা করেন। মনোযোগ কতটা। কোনও ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার ব্যাপারে কতটা সৃজনশীল।

গবেষকরা অবাক হয়ে দেখেছেন, তফাত নেই বললেই হয়। বুদ্ধিমত্তায় প্রায় সমান সমানই রকেট-বিজ্ঞানী ও স্নায়ু বিজ্ঞানীরা। শুধু স্নায়ু বিজ্ঞানীরা কোনও কিছু স্মরণে রাখতে পারেন তুলনায় একটু বেশি। আর রকেট-বিজ্ঞানীরা তুলনায় দ্রুত গতিতে অঙ্কের জটিল সমস্যা সমাধান করতে পারেন।

বেষকরা সেই ফলাফলের প্রেক্ষিতে একই ধরনের প্রশ্নমালা রেখেছিলেন প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার সাধারণ মানুষের কাছে। যাঁরা আমার, আপনার মতোই।

গবেষকরা দেখেছেন, আমার, আপনার চেয়ে স্নায়ুবিজ্ঞানীরা কোনও কিছু স্মরণে রাখতে পারেন একটু বেশি। আর আমার, আপনার চেয়ে একটু তাড়াতাড়ি অঙ্কের ধাঁধাগুলির জট খুলতে পারেন রকেট-বিজ্ঞানীরা।

তাই এই গবেষণার প্রেক্ষিতে এ বার এ ভাবে ভাবতে শুরু করলে ক্ষতি কীসের— চাইলে আমরাও হতে পারি রকেট-বিজ্ঞানী বা স্নায়ুবিজ্ঞানী!

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy