এশিয়ান গেমসে জিতেছেন দুই রুপো। প্রথমে ১০০ মিটার দৌ়ড়ে। তার পর ২০০ মিটারেও। কিন্তু, তারপরও কেরিয়ার নিয়ে আশঙ্কা যাচ্ছে না দ্যুতি চন্দের।

শরীরে পুরুষ হরমোনের আধিক্য থাকায় চার বছর আগের এশিয়ান গেমসে নামতে পারেননি তিনি। হাইপারএন্ড্রোগাইনিজম পরিস্থিতির জন্য নির্বাসিত করা হয়েছিল তাঁকে। নিজেকে মহিলা হিসেবে প্রমাণ করতে নানা পরীক্ষার মধ্যে দিয়েও যেতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ে জিতে ট্র্যাকে ফেরেন। এশিয়ান গেমসে সাফল্যও পান। একই সমস্যা রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার ৮০০ মিটারে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন কাস্টের সেমেন্যারও।

নভেম্বর থেকে অ্যাথলেটিক্সের দুনিয়ায় চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম। হাইপারএন্ড্রোগাইনিজম সমস্যায় ভোগা দৌড়বিদদের মিডল-ডিসটেন্স রেসে নামার ওপর চালু হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। যার ফলে, সেমেন্যার জন্য ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের দরজা বন্ধ হতে চলেছে। আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের এই সিদ্ধান্ত পড়েছে কঠোর সমালোচনার মুখে। সংশোধনীও আনা হতে পারে সিদ্ধান্তে। তবে স্প্রিন্টারদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে, দ্যুতির সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ, এখনই তিনি এর আওতায় পড়ছেন না।

তবে তা সত্ত্বেও অনিশ্চয়তার বাতাবরণে রয়েছেন দ্যুতি। ২২ বছর বয়সি অ্যাথলিট বলেছেন, “আইনি দলের সাহায্যে আমি ফিরতে পেরেছি। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে, তার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। সেমেন্যা যেমন এখনও লড়াই করে চলেছে। আশঙ্কা তাই থাকছেই। তবে ভয়কেই জয় করতে হবে।” ১৯৮৬ সালে শেষবার স্প্রিন্টের দুই ইভেন্টে পদক পেয়েছিলেন পি টি ঊষা। তারপর প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দ্যুতিই আনলেন স্প্রিন্টের দুই ইভেন্টে পদক। কিন্তু, বর্তমান যত তৃপ্তিরই হোক না কেন, ভবিষ্যত্ নিয়ে দুশ্চিন্তা তাড়া করছে তাঁকে।

আরও পড়ুন: গ্যালারিতে থাকছে মুখোশ, ফুটবলে অভিষেকের আগে নার্ভাস বোল্ট

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ​

(অলিম্পিক্স, এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস হোক কিংবা ফুটবল বিশ্বকাপ, ক্রিকেট বিশ্বকাপ - বিশ্ব ক্রীড়ার মেগা ইভেন্টের সব খবর আমাদের খেলা বিভাগে।)