লড়াই শেষ দিয়েগো মারাদোনার সতীর্থ হোসে লুইস ‘টাটা’ ব্রাউনের। অনেকদিন ধরেই আলঝাইমার্স রোগে ভুগছিলেন তিনি। সোমবার লা প্লাতায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ব্রাউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া আর্জেন্টিনার ফুটবলে। টুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার প্রাক্তন স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা।

মেক্সিকো বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম গোলটি করেছিলেন ব্রাউন। শেষ পর্যন্ত নীল-সাদা জার্সিধারীরা ৩-২ গোলে পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ব্রাউন। ফাইনালের শেষের দিকে ব্রাউনের কাঁধের হাড় সরে গিয়েছিল। যন্ত্রণাকাতর ব্রাউন তবুও মাঠ ছাড়েননি।

মেক্সিকো বিশ্বকাপের মহানায়ক মারাদোনা। ফাইনালে আর্জেন্টিনার হয়ে জয়সূচক গোলটি এসেছিল বুরুচাগার পা থেকে। মারাদোনা-বুরুচাগা-ভালদানোদের নামের ভিড়ে ব্রাউন ঢাকা পড়ে গিয়েছিলেন। পাসারেলার বিকল্প হিসেবে বিশ্বকাপে ব্রাউনকে নিয়ে গিয়েছিলেন বিলার্দো। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়ার পিছনে তাঁর ভূমিকাও কম ছিল না। রক্ষণের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন ব্রাউন।

আরও পড়ুন: লাল-হলুদ জার্সি গায়ে ৩৮ বছর পরে মাঠে মজিদ

বোকা জুনিয়র্সের হয়ে ব্রাউন খেলেন মাত্র ন’টি ম্যাচ। লা প্লাতার ক্লাব এস্তুদিয়ান্তেসের হয়ে প্রায় ৩০০টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ঠিক আগে ক্লাব বদলেছিলেন ব্রাউন। সই করেন বোকা জুনিয়র্সে। সেই ক্লাবে ন’ টি ম্যাচ খেলেন তিনি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ৩৬টি ম্যাচ খেলেন ব্রাউন। গোল করেছিলেন একটি। সেটা আবার ফাইনালেই। কোচ হিসেবেও একাধিক ক্লাবে কাজ করেছেন তিনি।

১৯৯৩ সালে আইএফএ অনুমোদিত একটি ফাইভ এ সাইড ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। সেই প্রতিযোগিতায় খেলতে এসেছিলেন ব্রাউন।