বাহরিনের কাছে শেষ মুহূর্তের পেনাল্টিতে হেরে এশিয়ান কাপ থেকে বিদায়। যে ম্যাচের পরে প্রবল সমালোচিত জাতীয় কোচ স্টিভন কনস্ট্যান্টাইনের রক্ষণাত্মক রণনীতি। আগের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও, কেন বাহরিনের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ভারত রক্ষণাত্মক হয়ে গেল সেই প্রশ্ন উঠছেই।

স্টিভন ম্যাচের পরেই ইস্তফা দিয়ে বলেন, ‘‘শেষ মুহূর্তে এ ভাবে পেনাল্টিতে হেরে খারাপ লাগছে। প্রথম দুই ম্যাচে প্রচুর সুযোগ তৈরি করেছিল ছেলেরা। এ দিন তা হয়নি। যা আমাদের প্রতিকূলে গিয়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতে কোচিং করাতে এসে যে জায়গায় দলটাকে ধরেছিলাম, তার চেয়ে অনেক ভাল জায়গায় ছেলেদের ছেড়ে যাচ্ছি। এটাই তৃপ্তি দিচ্ছে।’’

স্টিভন আরও বলেন, ‘‘শুরুতেই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে আনাস বেরিয়ে যাওয়াটা একটা বড় ধাক্কা ছিল।’’ তবে ভারতীয় কোচ মনে করেন না, দলে রওলিন বর্জেসকে রাখার খেসারত দিতে হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘অনিরুদ্ধ থাপার পিঠে চোট ছিল। তা ছাড়া রওলিন ভাল পাসার। তাই ওকে দলে রাখি। কিন্তু পরিকল্পনা কাজ করেনি।’’ যোগ করেন, ‘‘আমরা কখনও ড্রয়ের কথা ভেবে রক্ষণাত্মক হইনি। ছয় ফরোয়ার্ডকে নামিয়ে বাহরিন গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। শেষ মুহূর্তে পেনাল্টিতে গোল খেলে কোন কোচের ভাল লাগে?’’   

এ দিন ‘এ’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি বনাম তাইল্যান্ডের ম্যাচ শেষ হয় অমীমাংসিত ভাবে। ম্যাচের ফল ১-১। সাত মিনিটে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হয়ে গোল করেন আলি মাবখৌত। ৪১ মিনিটে সেই গোল শোধ করে দেন তাইল্যান্ডের থিতিপান পুয়াংছান। এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপে ৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই রইল আমিরশাহি। তাইল্যান্ড ও বাহরিন দুই দলের পয়েন্ট ৪। কিন্তু গোল পার্থক্যে গ্রুপ রানার্স হয়ে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেল বাহরিন। তাইল্যান্ড অপেক্ষায় রইল গ্রুপের সেরা তৃতীয় দল হয়ে নক-আউট পর্বে যাওয়ার। আর প্রতিযোগিতায় সাড়া জাগিয়েও শেষ মুহূর্তের পেনাল্টিতে হেরে ভারত শেষ করল ৩ পয়েন্ট নিয়ে।