তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দাপটে জিতল টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে আট নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ঘরের মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে দশ উইকেটে হারাল জো রুটের দলকে। এর আগে বার্বাডোজে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৩৮১ রানের বড়সড় ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা। এ বার দ্বিতীয় টেস্টেও কার্যত চুরমার করল বিপক্ষকে।

ক্যারিবিয়ানদের স্মরণীয় এই জয়ের নায়ক পেসার কেমার রোচ। দুই ইনিংস মিলিয়ে আট উইকেট নিলেন তিনি। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর তার উইকেট এল ৫২ রানের বিনিময়ে। সঙ্গতে থাকলেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। তিনি ৪৩ রানে নিলেন চার উইকেট। পরিণতি, ১৩২ রানে শেষ হয়ে গেল ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। চতুর্থ ইনিংসে জেতার জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ১৪ রান। যা কোনও উইকেট না হারিয়ে তুলে ফেলে তারা (১৭/০)।

টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৮৭ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জবাবে তোলে ৩০৬ রান। ১১৯ রানের লিড পায় তারা। যার নেপথ্যে ড্যারেন ব্র্যাভোর মন্থর হাফ-সেঞ্চুরির বড় অবদান। এরপর ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ১৩২ রানে। ভারতীয় সময় শনিবার গভীর রাতে তার পর সিরিজ ২-০ করতে কোনও সমস্যা হয়নি ক্যারিবিয়ানদের। সেন্ট লুসিয়ায় আগামী শনিবার শুরু হতে চলা সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করার হাতছানি।

আরও পড়ুন: রায়ুডু-বিজয়শঙ্করের জুটিতে চাপ কাটিয়ে লড়ছে ভারত​

আরও পড়ুন: খেলোয়াড় ভোট দেবে কি না, সভা সিএবিতে

 

এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে এক দশক পর ইংল্যান্ডের থেকে উইজডেন ট্রফি ছিনিয়ে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯৯৪ সালের পর এই প্রথম ইংল্যান্ডকে টানা দুই টেস্টে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জেসন হোল্ডার জয়ের পর বলেন, “আমরা সাফল্যের জন্য ক্ষুধার্ত ছিলাম। বেশ কিছুদিন আমরা একসঙ্গে খেলছি। বেশ কিছু দারুণ সাফল্যও পেয়েছি। গত বছর হতাশাজনক ভাবে শেষ করেছিলাম। এই বছর তাই সবাই মরিয়া ছিলাম ঘুরে দাঁড়াতে।” ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুট বলেন, “আমরা খুব হতাশ। আরও একবার সব বিভাগে পর্যুদস্ত হলাম। যা মেনে নেওয়া খুব কঠিন। বোলিং বিভাগে যদিও আমরা খারাপ করছি না। কিন্তু, ২০০ রানও তুলতে না পারলে জেতা মুশকিল।”

(আইসিসি বিশ্বকাপ হোক বা আইপিএল, টেস্ট ক্রিকেট, ওয়ান ডে কিংবা টি-টোয়েন্টি। ক্রিকেট খেলার সব আপডেট আমাদের খেলা বিভাগে।)