নতুন দলের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেও কাটল না সঞ্জু স্যামসনের খারাপ সময়। শুক্রবার প্রথম চিপকের মাঠে চেন্নাইয়ের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন সঞ্জু। মাত্র ৭ রান করে ফিরতে হল তাঁকে। বিপদ থেকে চেন্নাইকে উদ্ধার করলেন তরুণ ক্রিকেটার আয়ুষ মাত্রে। পরের দিকে চালিয়ে খেলে দলকে টানলেন সরফরাজ় খান। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ২০৯/৫ তুলল চেন্নাই।
টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পঞ্জাবের অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লে-কে শুরু থেকেই কাজে লাগাতে চেয়েছিল চেন্নাই। তবে প্রথম ওভারে অর্শদীপ সিংহ মাত্র পাঁচ রান দেন। দ্বিতীয় ওভারের শুরুতেই জেভিয়ার বার্টলেটকে চার মারেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। পঞ্চম বলে সঞ্জুও একটি চার মারেন। সেই ওভারের শেষ বলেই আবারও বড় শট খেলতে গিয়ে ফিরে যান সঞ্জু। ব্যাটের কানায় লেগে বল জমা পড়ে উইকেটকিপার প্রভসিমরন সিংহের হাতে।
শুরুতেই ধাক্কা খাওয়ার পরেও চেন্নাইয়ের আগ্রাসন কমেনি। আয়ুষ ক্রিজ়ে নামার পর থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকেন। রুতুরাজও সঙ্গ দিতে থাকেন তাঁকে। বার্টলেটের দ্বিতীয় ওভারে টানা তিনটি চার মারেন আয়ুষ। পরের ওভারে বিজয়কুমার বিশাখকে ছয় মারেন। তবু ৬ ওভারে ৫৭ রানের বেশি তুলতে পারেনি চেন্নাই।
সপ্তম ওভারে মার্কো জানসেনকে দু’টি ছয় মারেন আয়ুষ। তার মধ্যে দ্বিতীয় ছয়টি দেখার মতো ছিল। স্লোয়ার বল ছিল। তা সত্ত্বেও সেটি মিড-অনের উপর দিয়ে উড়িয়ে দেন তরুণ ক্রিকেটার। মার্কাস স্টোইনিসকে ছয় মেরে ২৯ বলেই শতরান পূরণ করেন আয়ুষ। যত ক্ষণ ক্রিজ়ে ছিলেন, পঞ্জাবের কোনও বোলারকে দাঁড়াতে দেননি।
আরও পড়ুন:
কিছুটা ধীরগতিতে খেলে ২২ বলে ২৮ করে ফিরে যান রুতুরাজ। ১২তম ওভারে যুজবেন্দ্র চহলের বলে আয়ুষের সহজ ক্যাচ ফেলেন শশাঙ্ক। তবে নিজের ইনিংস বেশি দূর টানতে পারেননি আয়ুষ। পরের ওভারেই ফিরে যান। বিশাখের বলে আয়ুষের ক্যাচ ধরেন চহল।
চেন্নাই নিলামে কার্তিক শর্মাকে ১৪.২ কোটি টাকায় কিনেছিল। তিনি টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যর্থ। এ দিন ১ রানে ফিরলেন। তবে ক্রিজ় নেমে তিনটি চার মেরে পঞ্জাবের বোলারদের চাপ বাড়িয়ে দেন সরফরাজ়। ১৭তম ওভারে বিশাখকে আবার তিনটি চার মারেন। সেই বিশাখই তুলে নেন সরফরাজ়কে (৩২)। শেষের দিকে শিবম দুবের (অপরাজিত ৪৫) দাপটে ২০০ পেরিয়ে যায় চেন্নাই।