গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ পাননি মহম্মদ শামি। ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার হয়ে ৬৭ উইকেট নেওয়ার পরেও তাঁকে ব্রাত্য করে রেখেছেন অজিত আগরকর, গৌতম গম্ভীরেরা। দীর্ঘ দিন জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ৩৫ বছরের জোরে বোলার এখনই অবসরের কথা ভাবছেন না। আইপিএলে মাঠে নামার আগে ক্রিকেটজীবন নিয়ে মুখ খুলেছেন বাংলার ক্রিকেটার।
এ বার লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে আইপিএল খেলবেন শামি। গত নিলামের আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ থেকে তাঁকে কিনে নিয়েছে সঞ্জীব গোয়েন্কার দল। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে শামিকে প্রশ্ন করা হয়, ‘‘অবসর নিয়ে কিছু ভাবছেন?’’ জবাবে তিনি বলেছেন, ‘‘যে দিন ক্রিকেট একঘেয়ে লাগবে, সে দিন সিদ্ধান্ত নেব। এই মুহূর্তে অবসর নিয়ে কিছুই ভাবছি না। এই ধরনের ভাবনা নিরুৎসাহ করে।’’ শামি আরও বলেছেন, ‘‘অবসরের ব্যাপারটা ব্যক্তিগত। কেউ ক্লান্ত হয়ে পড়লে অবসরের কথা ভাবে। কোনও বিষয় একঘেয়ে লাগলে ক্লান্তি আসে। আগেও বলেছি, যে দিন সকালে ঘুম ভাঙার পর ক্রিকেট একঘেয়ে মনে হবে, সে দিনই অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।’’
ক্লান্তি বা একঘেয়েমি নিয়ে ক্রিকেট খেলতে চান না শামি। তিনি বলেছেন, ‘‘যে দিন ক্লান্ত বা একঘেয়ে লাগবে, সে দিনই খেলা ছেড়ে দেব। এ পর্যন্ত কোনও দিন তেমন কিছু মনে হয়নি। খেলাটা এখনও উপভোগ করছি। ভাল পারফর্ম করছি। ইতিবাচক ভাবেই ভাবতে চাইছি।’’
এ বার নতুন দলের হয়ে আইপিএল খেলবেন। আপনার লক্ষ্য কী? শামি বলেছেন, ‘‘বোলার হিসাবে নিজের ১০০ শতাংশ দিতে চাই। নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন এবং প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করব। আমি শুধু চেষ্টাই করতে পারি। নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারি না। বাকিটা দেখা যাবে। দেখুন, লখনউ কর্তৃপক্ষ আমার উপর আস্থা রেখেছেন। আমিও দলের জন্য নিজের সবটা উজাড় করে দেব। আসল হল তৃপ্তি পাওয়া। সেটা অনুশীলনে হোক বা ম্যাচে।’’
আরও পড়ুন:
২০২৩ সালের আইপিএলে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছিলেন শামি। জিতেছিলেন বেগনি টুপি। সে বার তিনি ছিলেন গুজরাত টাইটান্সে। পরের বছর চোটের জন্য খেলতে পারেননি। গত বছর তিনি ছিলেন হায়দরাবাদ শিবিরে। তারও আগে পঞ্জাব কিংস, দিল্লি ক্যাপিটালস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে শামির। লখনউ তাঁর ষষ্ঠ দল।