Advertisement
E-Paper

হলুদ জার্সিতে সঞ্জুর প্রথম শতরান, তিন ম্যাচে ব্যর্থতার পর ছন্দে ফিরলেন বিশ্বকাপের নায়ক

সঞ্জু স্যামসনকে দলে নিতে গিয়ে দুই ক্রিকেটার ছেড়ে দিয়েছিল চেন্নাই। তাদের ভরসার মান রাখলেন সঞ্জু। তাঁর ব্যাটে ভর করে বড় রান চেন্নাইয়ের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০০
cricket

চেন্নাইয়ের মাঠে মারমুখী মেজাজে সঞ্জু স্যামসন। ছবি: পিটিআই।

প্রথম তিন ম্যাচে রান ছিল না। তিন ম্যাচ মিলিয়ে করেছিলেন ২২ রান। সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। প্রশ্ন উঠছিল। অবশেষে সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিলেন সঞ্জু স্যামসন। চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে প্রথম শতরান করলেন তিনি। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৫২ বলে শতরান করলেন ভারতীয় ব্যাটার। এটি আইপিএলে তাঁর চতুর্থ শতরান। এর আগে রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সিতে তিনটি শতরান করেছেন সঞ্জু। তবে আইপিএলে তাঁর দ্রুততম শতরান এল হলুদ জার্সিতেই। সঞ্জুর ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২১২ রান করল চেন্নাই। সঞ্জুই প্রথম ব্যাটার যিনি এ বারের আইপিএলে শতরান করলেন।

এ বারের নিলামের আগে সঞ্জুকে দলে পেতে মরিয়া ছিল চেন্নাই। রবীন্দ্র জাডেজা ও স্যাম কারেনের মতো দুই ক্রিকেটারকে দিয়ে সঞ্জুকে নিয়েছিল তারা। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির বিকল্প হিসাবে সঞ্জুকে তৈরি করার পরিকল্পনা তাদের। হয়তো পরের মরসুমে সঞ্জুকেই দলের অধিনায়ক করে দেবে তারা। গত মাসে ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন সঞ্জু। ফলে তাঁর প্রতি প্রত্যাশা আরও বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রথম তিন ম্যাচে রান পাননি সঞ্জু।

তার পরেও ভরসা ছিল প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের। তিনি জানিয়েছিলেন, নতুন দলে মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগে। সঞ্জুর ফর্মে ফেরা সময়ের অপেক্ষা। সেটাই দেখালেন ডানহাতি ব্যাটার। শনিবার চিপকে সঞ্জু আগে থেকেই ঠিক করে নেমেছিলেন, বড় ইনিংস খেলবেন। শুরু থেকে তাঁর ব্যাটিং দেখে বোঝা যাচ্ছিল, ছন্দ ফিরে পাচ্ছেন।

Advertisement

তিন ম্যাচে রান না পেলেও খেলার ধরন বদলাননি সঞ্জু। শুরু থেকে মেরে খেলছিলেন। অপর প্রান্তে অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের ব্যাটে-বলে হচ্ছিল না। ১৮ বলে ১৫ রান করে অক্ষর পটেলের বলে আউট হন তিনি। আয়ুষ মাত্রে নামার পর চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি আরও খানিকটা বাড়ে। ২৬ বলে অর্ধশতরান করেন সঞ্জু। তার পরেও হাত খুলে মারতে থাকেন তিনি। সঞ্জুকে সঙ্গ দেন আয়ুষ। তিনিও অর্ধশতরান করেন।

তবে সঞ্জুর শতরানের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রয়েছে দিল্লির পাথুম নিসঙ্কের। ৫২ রানের মাথায় অক্ষরের বলে লং অফে সঞ্জুর সহজ ক্যাচ ছাড়েন তিনি। সেই ক্যাচ ধরতে পারলে হয়তো চেন্নাইয়ের রান ২০০ পার হত না। নিসঙ্কের সেই ভুলের মাশুল দিতে হয় দিল্লিকে। তার পর থেকে আরও হাত খুলতে শুরু করেন সঞ্জু।

একটা সময় দেখে মনে হচ্ছিল, ২৩০ রান হবে চেন্নাইয়ের। কিন্তু শেষ দিকে দিল্লির বোলারেরা রান আটকানো শুরু করেন। ফলে বাধ্য হয়ে আয়ুষকে অবসৃত আউট করা হয়। যদিও তাঁর রান কম ছিল না। ৩৬ বলে ৫৯ রান করেন তিনি। চেন্নাইয়ের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। আয়ুষকে তুলে নামানো হয় শিবম দুবেকে।

১৯তম ওভারে চার মেরে শতরান করেন সঞ্জু। তাঁর উল্লাসের ধরন দেখে বোঝা যাচ্ছিল, কতটা স্বস্তি পেয়েছেন। শেষ দু’ওভারে আবার একটু রান হয়। শেষ পর্যন্ত ২১২ রান করে চেন্নাই। সঞ্জু ৫৬ বলে ১১৫ ও দুবে ১০ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন।

Sanju Samson CSK Delhi Capitals
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy