Advertisement
E-Paper

বুমরাহ লাখে একজনই হয়, ম্যাচের সেরার মেডেলটা ওরই পাওয়া উচিত ছিল! ভারতের জয়ের কৃতিত্ব জসপ্রীতকেই দিলেন সঞ্জু

সেমিফাইনালে ব্যাট হাতে ৮৯ রান করেছেন সঞ্জু স্যামসন। হয়েছেন ম্যাচের সেরা। তার পরেও ওয়াংখেড়েতে ভারতের জয়ের কৃতিত্ব জসপ্রীত বুমরাহকে দিলেন সঞ্জু।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ ২৩:২৪
cricket

জসপ্রীত বুমরাহ (বাঁ দিকে) ও সঞ্জু স্যামসন। ছবি: পিটিআই।

পর পর দু’ম্যাচে সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। ইডেনে অপরাজিত ৯৭ রান করে ভারতকে জিতিয়েছিলেন। ওয়াংখেড়েতে সঞ্জুর ৮৯ রান ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। কিন্তু ম্যাচের সেরা হয়েও জয়ের কৃতিত্ব নিজের কাঁধে নিচ্ছেন না সঞ্জু। এই জয়ের কৃতিত্ব জসপ্রীত বুমরাহকে দিচ্ছেন তিনি।

ম্যাচ শেষে সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার নিতে গিয়ে সঞ্জু বলেন, “পুরো কৃতিত্ব জসপ্রীত বুমরাহের। যে ভাবে ও বল করল তা এক কথায় অসাধারণ। এ রকম বোলার লাখে একজনই হয়। আমার মতে, ম্যাচের সেরার মেডেলটা ওরই পাওয়া উচিত ছিল। ২৫০ রান করেও তো হেরে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বুমরাহের চার ওভার আমাদের জিতিয়ে দিল। ওই চার ওভার না হলে আমরা হেরে যেতাম।”

২৫৪ রান তাড়া করতে নেমে ৭ রানে জিতেছে ভারত। এই ম্যাচে চার ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন বুমরাহ। ১৭তম ওভারে বল করতে এসে মাত্র ৬ রান দিয়েছেন তিনি। সেই সময় বুমরাহ রান দিলে জিততে সমস্যা হত ভারতের। বুমরাহ দেখিয়েছেন, তাঁর হাতে কতটা বৈচিত্র রয়েছে। সেই কারণেই এই জয়ের কৃতিত্ব বুমরাহকে দিয়েছেন সঞ্জু।

ব্যাট করতে নেমে আগের ম্যাচের ছন্দেই ব্যাট করছিলেন সঞ্জু। শুরু থেকে বড় শট মারছিলেন। সঞ্জু জানিয়েছেন, তিনি চাইছিলেন, যতটা বেশি সম্ভব রান করে নিতে। সঞ্জু বলেন, “গত ম্যাচ থেকে ফর্ম ফিরে পেয়েছি। ভাল শট খেলছিলাম। এই ম্যাচেও সেই ফর্ম টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। বড় ম্যাচে বড় রান করতে হত। কারণ, ওয়াংখেড়েতে যে কোনও রান তাড়া করে জেতা যায়। ইংল্যান্ড তো প্রায় জিতেই যাচ্ছিল। তাই যত বেশি সম্ভব রান করতে চেয়েছি। শেষ পর্যন্ত জিতেছি।”

ব্যাট করতে নামার পরেই সঞ্জু বুঝে গিয়েছিলেন, ২৫০ রান না করলে জেতা কঠিন। সেই আলোচনাই করছিলেন তাঁরা। সঞ্জু বলেন, “অভিষেক আউট হওয়ার পর আমি ও ঈশান দ্রুত রান করছিলাম। পরে তিলক, হার্দিক সকলেই একই কাজ করেছে। কারণ, আমরা জানতাম, এই উইকেটে অন্তত ২৫০ রান করতে হবে। না হলে জেতা কঠিন। ওয়াংখেড়েতে যে কোনও রান তাড়া করা যায়। সেটাই দেখা গেল। জয়ের কৃতিত্ব বোলারদের। এই উইকেটে বল করা খুব কঠিন। ওরা সেটা করে দেখিয়েছে।”

cricket

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পর পর দু’ম্যাচে শতরান হাতছাড়া হয়েছে সঞ্জুর। কিন্তু শতরানের কথা এক বারও মাথায় ছিল না তাঁর। ভারতীয় ওপেনার বলেন, “আমি কখনও শতরানের কথা ভাবিনি। ওয়াংখেড়েতে প্রচুর রান হয়। তাই সব সময় ভাবছিলাম, যত বেশি সম্ভব রান করব। টেস্ট বা এক দিনের ম্যাচে শতরান করতে হলে একটু সময় নেওয়া যায়। টি-টোয়েন্টিতে সেটা হয় না। নিজের মাইলফলকের কথা না ভেবে দলের জন্য খেলার চেষ্টা করি। এই ম্যাচেও সেটাই করেছি। দলকে জেতাতে পেরে ভাল লাগছে।”

Jasprit Bumrah Sanju Samson
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy