একের পর এক ব্যর্থতার পর উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল পাকিস্তান। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়ে ২-১ ব্যবধানে হারালেন শাহিন শাহ আফ্রিদিরা। তৃতীয় ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৫৭ রান করে জশ ইংলিসের দল। জবাবে ৪১.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬১ রান তুলে ম্যাচ এবং সিরিজ় জিতে নিয়েছে পাকিস্তান।
দু’ম্যাচের পর সিরিজ় ছিল ১-১। টস জিতে লাহৌরের ২২ গজে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। কিন্তু পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণের সামনে ইংলিস ছাড়া কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। ইনিংসের শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারায় সফরকারীরা। ওপেনার ম্যাথু শর্ট (০) ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই আউট হয়ে যান। এর পর মার্নাস লাবুশেন (১৯) এবং অ্যালেক্স ক্যারে (১৯) কিছুটা চেষ্টা করলেও বাকিরা ব্যর্থ। চাপের মুখে ৭১ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন ইংলিস। ওপেন করতে নেমে ক্রিজ়ের এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন। ৮টি চার এবং ১টি ছয় মারেন তিনি। দলকে ভরসা দিতে পারেননি ক্যামেরন গ্রিন (৭), ম্যাট রেনশ (৪), কুপার কনোলি (৩), অলিভার পিক (৭), অ্যাডাম জ়াম্পা (১০), নাথান এলিসেরা (১)। শুধু ম্যাথু কুনেম্যান ৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪২ ওভারেই শেষ হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সফলতম আফ্রিদি ৩০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। এ ছাড়া ১৯ রানে ২ উইকেট আবরার আহমেদের। ২৮ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন শাদাব খান। ৩৩ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন হ্যারিস রউফ।
জয়ের জন্য ১৫৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সমস্যায় পড়ে পাকিস্তানও। ৬ রানে আউট হয়ে যান ওপেনার সাহিবজ়াদা ফারহান। অন্য ওপেনার মাজ় সাদাকত করেন ২৭। তিন নম্বরে নেমে দলের ইনিংসকে ভরসা দেন বাবর আজ়ম। যদিও বেশ মন্থর ব্যাটিং করেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক। ৪০ রান করতে খরচ করেন ৮৪ বল। ৩টি চার মেরেছেন। ব্যর্থ গাজ়ি ঘোরি (৮), সলমন আঘা (১৫), আরাফত মিনহাস (৯)। শেষ দিকে আব্দুল সামাদের অপরাজিত ১৮ এবং শাদাব ২৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে গুকুত্বপূর্ণ জয় এনে দেন।
আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সফলতম কুনেম্যান ৩৮ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। ৬ রানে ১ উইকেট রেনশয়ের। এ ছাড়া ২৩ রানে ১ উইকেট শর্টের এবং ৪০ রানে ১ উইকেট এলিস।