সমালোচনার মাঝেও নিজের অবস্থান থেকে সরলেন না শ্রেষ্ঠা আয়ার। সোমবার ইডেনে কলকাতা-পঞ্জাব ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার পর অজিঙ্ক রাহানেদের খোঁচা মেরেছিলেন শ্রেয়স আয়ারের বোন। তার পর অনেকেই তাঁর সমালোচনা করেছেন। বিতর্কও হয়েছে। তার পরেও শ্রেষ্ঠা জানিয়ে দিয়েছেন, নিজের ভাই ও ভাইয়ের দলকে তিনি সমর্থন করেই যাবেন।
কী বলেছিলেন শ্রেষ্ঠা?
সোমবার খেলা ভেস্তে যাওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে একটি রিল পোস্ট করেন শ্রেষ্ঠা। সেখানে শ্রেষ্ঠার সঙ্গে আরও কয়েক জন ছিলেন। শ্রেষ্ঠা বলেন, “আমাদের পঞ্জাবিদের মন খুব বড় হয়। নাও, ১ পয়েন্ট দিয়ে দিলাম।” তার পরেই পঞ্জাবি ভাষার একটি গান চলতে শুরু করে। তার তালে সকলে নাচতে শুরু করেন। তখনও দেখা যায়, হাতের ইশারায় ১ পয়েন্ট বোঝাচ্ছেন তাঁরা।
ম্যাচে মাত্র ৩.৪ ওভার খেলা হয়েছিল। কেকেআর ২ উইকেট হারিয়ে ২৫ রান করেছিল। কিন্তু যে ভাবে খেলা চলছিল তাতে বড় রান করতে চাপ হত তাদের। পঞ্জাবের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে জিততে সমস্যা হত কেকেআরের। সেই কারণেই হয়তো শ্রেষ্ঠা খোঁচা দিলেন কেকেআরকে। বোঝাতে চাইলেন, খেলা হলে কোনও পয়েন্ট ছাড়াই মাঠ ছাড়তে হত রাহানেদের। সেখানে ১ পয়েন্ট তাঁরা পেলেন।
শুরু সমালোচনা
শ্রেষ্ঠার এই ভিডিয়ো সামনে আসার পর কেকেআরের সমর্থকেরা সমালোচনা করেন শ্রেয়সের বোনের। তাঁদের মতে, মাঠের লড়াই মাঠেই থাকা উচিত। শ্রেষ্ঠা কেকেআরকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। অনেকে আবার বলেন, শ্রেষ্ঠার বোঝা উচিত, কেকেআরের হয়ে আইপিএল জিতেছেন শ্রেয়স। সেই দলকে অসম্মান করার অর্থ শ্রেয়সকেও অসম্মান করা। কেউ আবার অতীত তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, পঞ্জাব কিন্তু এক বারও চ্যাম্পিয়ন হয়নি। কেকেআর সেখানে তিন বার চ্যাম্পিয়ন। সেটা মাথায় রাখা উচিত ছিল শ্রেষ্ঠার।
আরও পড়ুন:
শ্রেষ্ঠার জবাব
এই সমালোচনার মধ্যে আরও একটি ভিডিয়ো বার্তায় নিজের সাফাই দিয়েছেন শ্রেষ্ঠা। তিনি বলেন, “আমি জানি না, কেন এত বিরোধিতা হচ্ছে। এটা একটা খেলা। আমরা মজার ছলে ভিডিয়োটা বানিয়েছিলাম। আমি আমার ভাইকে সমর্থন তো করবই। আবার করব। কাউকে অপমান করিনি। সকলের বিষয়টা মজা করেই নেওয়া উচিত।”
শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, কারও প্রতি ঘৃণা থেকে ভিডিয়োটি করেননি তিনি। সেটা বাকিদের বোঝা উচিত। তিনি বলেন, “আমি জানি, আগ্রাসন থাকবে। নিজের দলের প্রতি সমর্থন থাকবে। আমি কোনও দল বা কাউকে খোঁচা মারিনি। এটা আমার উল্লাসের ধরন। আমি আবার করব। আমি কাউকে ঘৃণা করি না। শুধু ক্রিকেটকে ভালবাসি। তাই ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না। শান্তিতে থাকুন।”