যতটা মনে করা হয়েছিল, তার ধারেকাছেও গেল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের উত্তেজনা। কার্যত একপেশে ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬১ রানে উড়িয়েছে ভারত। ম্যাচের আগে বিপক্ষ অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো সূর্যকুমার যাদব জয় উৎসর্গ করেছেন দেশবাসীর উদ্দেশে। বুঝিয়ে দিয়েছেন, এই ম্যাচকে হয়তো আর মহারণের পর্যায়ে ফেলা যাবে না। প্রশংসা করেছেন ঈশান কিশনের মানসিকতার।
সূর্য বলেন, “এই জয় গোটা ভারতের জন্য। ঠিক যে রকম ক্রিকেট খেলতে চেয়েছিলাম সে রকমই খেলেছি। আমি খুবই খুশি।”
মন্থর পিচেও আগ্রাসী ব্যাটিং কী ভাবে করতে হয়, সেটা রবিবার দেখিয়েছেন ঈশান। তরুণ ব্যাটারের সাহস দেখে অবাক সূর্যকুমারও। বলেছেন, “ঈশান এ ভাবেই ব্যাট করে। গত কয়েকটা ম্যাচে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ও এ ভাবেই ব্যাট করে এসেছে। চাপের সময়ে ও বাকিদের চেয়ে অন্য রকম ভেবেছিল। ০/১ অবস্থায় কাউকে দায়িত্ব নিতেই হত। সেই কাজ খুব ভাল ভাবে পালন করেছে ঈশান। শুধু ওরা নয়, তিলক, শিবম এবং রিঙ্কুও যে ভাবে ব্যাট করেছে, তা-ও প্রশংসনীয়।”
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
স্কোরবোর্ডে ১৭৫ তোলার পরেও কি মনে হয়েছিল কম রান উঠেছিল? মানতে চাননি সূর্য। বলেছেন, “প্রথমে ব্যাট করলে বোঝা মুশকিল যে কত রান তুললে সুবিধা হবে। তবে ১৭৫ রান তোলার পর বুঝেছিলাম, এই মাঠে গড়ের থেকে ১৫-২০ রান বেশি তুলে ফেলেছি। স্কোর ১৫৫ হলে ম্যাচটা আরও হাড্ডাহাড্ডি হত।”
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
পাওয়ার প্লে-তেই পাকিস্তানের চারটি উইকেট ফেলে দিয়ে যে ভাবে ভারতকে প্রায় ম্যাচ জিতিয়ে দিয়েছিলেন, তার জন্য বোলারদের প্রশংসা করেছেন সূর্যকুমার। বলেছেন, “নতুন বলে হার্দিক ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করেছে। বুমরাহ আরও এক বার দেখিয়ে দিয়েছে কেন ও বিশ্বের সেরা বোলার। সকলের অবদান দেখতে পেয়ে ভাল লেগেছে।”
আরও পড়ুন:
সোমবার অহমদাবাদে পৌঁছনোর পর পরের ম্যাচ নিয়ে ভাববেন বলে জানিয়েছেন সূর্যকুমার। বলেছেন, “পরের ম্যাচ নিয়ে কাল থেকে ভাবব। আপাতত গোটা দল একসঙ্গে ভাল সময় কাটাতে চাই। নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে ভাবব কাল অহমদাবাদে পৌঁছনোর পর।”