এক মাসও বাকি নেই ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর। এ বার অন্যতম আয়োজক মেক্সিকো। সুষ্ঠু ভাবে বিশ্বকাপ উতরে দেওয়াই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ সে দেশের সরকারের। কিন্তু চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বসেছে মেক্সিকোর শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের সংগঠন।
বেতন এবং পেনশন কাঠামো পরিবর্তন, চাকরির নিরাপত্তা, জনশিক্ষার উন্নয়ন-সহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালাচ্ছে মেক্সিকোর শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের সংগঠন। দু’তরফের দাবি, পাল্টা দাবিতে সমাধান অধরা। সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে বিশ্বকাপের মুখে আবার সুর চড়িয়েছেন আন্দোলনকারীরা। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে অবিলম্বে দাবি পূরণ না হলে বিশ্বকাপের সময় টানা ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হবে। দেশের সব স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বের সামনে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে, তার দায় তাঁরা নেবেন না।
স্বাভাবিক ভাবেই বিশ্বকাপের আগে চাপে মেক্সিকো সরকার। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করলে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বকাপের আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাক, তা চাইছে না সরকার। আবার দাবি না মানলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। অন্য দিকে, দাবি মেনে নেওয়া মানে সরকারকে অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। সব মিলিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
আরও পড়ুন:
পরিস্থিতি সামলাতে বিশ্বকাপের সময় দেশের সব স্কুল বন্ধ রাখার কথা ভাবছে মেক্সিকো সরকার। শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য জানিয়েছেন, তীব্র গরম এবং পড়ুয়াদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ছ’সপ্তাহের জন্য স্কুল বন্ধ রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। তাতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকেও পাশে পাচ্ছে শিক্ষকদের সংগঠন। মেক্সিকোর পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ফিফা। সে দেশের প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।