আইএসএলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ঘরের মাঠে ইন্টার কাশীর সঙ্গে ড্র করে সেই সুযোগ হাতছাড়া করল মোহনবাগান। পয়েন্ট তালিকায় ১০ নম্বরে থাকা দলের বিরুদ্ধে গোলই করতে পারলেন না সের্জিয়ো লোবেরার ফুটবলারেরা। মঙ্গলবার যুবভারতীতে দু’দলের লড়াই শেষ হল গোলশূন্য অবস্থায়। গোলের একাধিক সুযোগ নষ্টের মাসুল দিলেন সবুজ-মেরুন ফুটবলারেরা। একাধিক বার দলকে বিপদের হাত থেকে বাঁচালেন কাশীর গোলরক্ষক শুভম দাস।
ম্যাচের দু’দিন আগে ইন্টার কাশীর কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস ইস্তফা দিয়েছেন। সেই দলকে ঘরের মাঠে পেয়েও হারাতে পারল না মোহনবাগান। ডার্বির আগে ড্র করে লোবেরার দল আইএসএলে দ্বিতীয় স্থানেই থেকে গেল। আরও জমে গেল আইএসএলের খেতাবি লড়াই। আগামী ১৭ মের ডার্বিতেই নির্ধারিত হতে পারে খেতাব।
ডার্বির উত্তেজনা বাড়লেও পর পর দু’ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করে নিজেদের চাপই বাড়ালেন শুভাশিস বসুরা। ম্যাচের শুরু থেকেই গোলের জন্য ঝাঁপান মোহনবাগান ফুটবলারেরা। খেলায় তাঁদের নিয়ন্ত্রণও বেশি ছিল। তবু গোল করতে পারলেন না দিমিত্রি পেত্রাতোসেরা। ইন্টার কাশীর অন্তর্বর্তিকালীন কোচ অভিজিৎ মণ্ডল রক্ষণ জমাট করে দল সাজিয়ে ছিলেন। সেই রক্ষণের সামনেই বার বার আটকে গেল সবুজ-মেরুন আক্রমণ। জেমি ম্যাকলারেন, আপুইয়া, লিস্টন কোলাসোকে প্রথম একাদশে রাখেননি লোবেরা। ফলে মোহন আক্রমণের ধার কিছুটা কম ছিল। তবু অধিকাংশ সময়ই খেলা হল ইন্টার কাশীর অর্ধে। তা-ও কাজের কাজ করতে পারলেন না জেসন কামিংসেরা। ভাল জায়গায় একাধিক ফ্রিকিক পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি মোহনবাগান ফুটবলারেরা।
আরও পড়ুন:
কঠিন পরিস্থিতিতে অ্যাওয়ে ম্যাচে মূলত প্রতি আক্রমণমূলক ফুটবলের পরিকল্পনা করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন গোলরক্ষক অভিজিৎ। তাঁর পরিকল্পনা মতো খেলে গোল করার কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিলেন ইন্টার কাশীর ফুটবলারেরাও। কিন্তু ফিনিশিংয়ের দুর্বলতায় সাফল্য পাননি তাঁরা। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান কোচ ম্যাকলারেন, লিস্টন, শুভাশিসদের মাঠে নামালেও লাভ হয়নি।
এ দিনের ম্যাচের পর ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান দু’দলেরই ১১ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট। গোল পার্থক্যে শীর্ষে রয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।