Advertisement
E-Paper

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কত কোটি ডলার এ পর্যন্ত খরচ করেছে ট্রাম্প সরকার? মার্কিন কংগ্রেসকে হিসাব দিল পেন্টাগন

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল পেন্টাগন। মার্কিন আইন মেনে সামরিক পদক্ষেপের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কংগ্রেসকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল। এ বার পেশ করা হল যুদ্ধের খরচের হিসাব।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ২১:৩৩
(বাঁ দিকে) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ২৯০০ কোটি ডলার (প্রায় ২ লক্ষ ৭৮ হাজার কোটি টাকা) খরচ হয়েছে আমেরিকার। মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা এক রিপোর্টে এ কথা জানিয়েছে পেন্টাগন। আনুমানিক ব্যয়ের তুলনায় প্রকৃত ব্যয় ৪০০ কোটি টাকা বেশি বলেও বলা হয়েছে রিপোর্টে।

মার্কিন কংগ্রেসে বক্তৃতায় পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত কন্ট্রোলার জুলস হার্স্ট বলেন, ‘‘ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত ২৯ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। এই ব্যয়ের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম মেরামত ও প্রতিস্থাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামরিক অভিযানের পরিচালন ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’’ ইরান যুদ্ধের আর্থিক ব্যয় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে ট্রাম্প সরকার দেশের অন্দরে সমালোচনার মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পেন্টাগন জানিয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল পেন্টাগন। মার্কিন আইন মেনে সামরিক পদক্ষেপের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কংগ্রেসকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল। ১৯৭৩ সালের যুদ্ধ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া শুরু হওয়া যে কোনও যুদ্ধের ক্ষেত্রে (যেমনটি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ক্ষেত্রে ঘটেছে) ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত। প্রেসিডেন্ট তাঁর ক্ষমতাবলে সামরিক পদক্ষেপের জন্য ওই সময়সীমা পর্যন্ত সামরিক পদক্ষেপ চালিয়ে যেতে পারেন। এর পর প্রেসিডেন্ট সেনা প্রত্যাহারের জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিনের সময় নিতে পারেন। কিন্তু নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর জন্য যাবতীয় তথ্য-পরিসংখ্যান পেশ করে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা ক্ষীণ হওয়ায় এ বার সেই প্রস্তুতি শুরু করেছে হোয়াইট হাউস।

সংক্ষেপে
  • ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
  • আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
  • শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
US-Israel vs Iran US-Iran Conflict Israel-Iran Conflict US Congress Pentagon
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy