একটা সময় তাঁর অধিনায়কত্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সে অইন মর্গ্যান খেলেছেন। এহেন বিশ্বকাপ জয়ী ও নাইটদের বর্তমান অধিনায়কের প্রকাশ্যে সমালোচনা করলেন গৌতম গম্ভীর। শুধু তাই নয়, মর্গ্যানের নিন্দা করতে গিয়ে বিরাট কোহলী ও রোহিত শর্মার প্রসঙ্গও তুলে আনলেন কেকেআর-কে দুবার আইপিএল এনে দেওয়া গম্ভীর।
শেষ দিকে ডিভিলিয়ার্স রুদ্রমূর্তি ধারণ করার আগে ওঁকে আউট করার কোনও পরিকল্পনা নেননি মর্গ্যান। এমনই দাবি করে বসলেন গম্ভীর। তিনি সটান বলে দেন, “রাসেল তো খারাপ বোলিং করেছে, ম্যাচের শেষ দিকে মর্গ্যানও খুব বাজে অধিনায়কত্ব করল। বিরাট ও রোহিত এমন ভুল করলে ওদের সরানোর দাবি উঠত। এই জীবনে সবচেয়ে বোকার মতো অধিনায়কত্ব দেখলাম।”
তবে মর্গ্যানের প্রতি তাঁর বর্ষণ এখানেই শেষ হয়নি। ম্যাচের দ্বিতীয় ও নিজের প্রথম ওভারে কোহলীকে আউট করার পর রজত পতিদারকেও আউট করেন বরুণ চক্রবর্তী। তবুও অদ্ভুত কারণে তামিলনাড়ুর স্পিনারকে ব্রাত্য করে শাকিব আল হাসানের হাতে বল তুলে দেন মর্গ্যান। সেটা দেখার পর থেকেই গম্ভীর যেন ফুঁসছিলেন। কিন্তু শেষের দিকে আন্দ্রে রাসেলের জঘন্য বোলিং ও মর্গ্যানের ভাবনাচিন্তা দেখে নিজেকে আর আটকে রাখতে পারেননি প্রাক্তন নাইট অধিনায়ক। এবি ডিভিলিয়ার্স ছন্দের তুঙ্গে থাকলেও তাঁকে পায়ের দিকে বল করে যাচ্ছিলেন রাসেল। ফলে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৪ রান তুলে দেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।
সেটা দেখার পরেই গম্ভীর বলে ওঠেন, “বিরাটকে দ্রুত আউট করা অনেক বড় সাফল্য। কিন্তু কেকেআর সেটা রাখতে পারল কোথায়! আর সেটার জন্য দায়ী মর্গ্যান। এমন অদ্ভুত ধরনের অধিনায়কত্ব আমি জীবনে দেখিনি। একটা ছেলে নিজের প্রথম ওভারে দুই উইকেট নেওয়ার পরেও বল পাবে না! ওকে দিয়ে বোলিং করালে পাওয়ার প্লে-তে আরও কম উঠত। কিন্তু মর্গ্যানের জন্য সেটা হল না। ওই সময় বরুণ বোলিং করে ম্যাক্সওয়েলকে আউট করলে খেলা ঘুরে যেত।”