ছোট বেলা থেকে আমি ফুটবল-প্রিয়। একবার কাঞ্চনজঙ্গা স্টেডিয়ামে একটি বড় ম্যাচ হয়েছিল। কৃশানু দে, বিকাশ পাঁজিরা এসেছিলেন। আমি খেলা দেখতে গিয়ে কৃশানু, বিকাশদের অটোগ্রাফ নিয়েছিলাম। এ বার ডার্বিকে ঘিরে ছোট বেলার সেই স্মৃতি, ফুটবলের প্রতি টান আবার জেগে উঠেছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের এই ম্যাচ দেখার ইচ্ছে রয়েছে। জরুরি কোনও কাজ না পড়লে মাঠে অবশ্যই থাকব।
ডার্বিকে ঘিরে ফুটবল জ্বর গোটা শহরে। চারদিকেই আলোচনা। টিকিট নিতে ভিড় উপচে পড়ছে। অনেকেই টিকিট পাননি। সব মিলে যেন শহরে ফুটবলকে ঘিরে উৎসব শুরু হযেছে। টিকিটের জন্য তো আমাকেও বাইরের জেলা থেকে পরিচিতরা অনেকেই ফোন করছেন।
তবে শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ, স্টেডিয়াম কমিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানাব। তাঁরা এগিয়ে আসায় এখানকার মানুষ এমন একটা ম্যাচ দেখতে পাবেন। উঠতি ফুটবলররা নিজেদের ‘চিয়ার আপ’ করার রসদ পেতে পারেন। যদিও খেলাটা অন্য। কিন্তু তবু মনে হয় টেবল টেনিস যারা শিখছে তারা বড় খেলোয়াড়দের খেলা দেখে শেখেন। এই দেখাটা কাছ থেকে না হলে অনেক সময় বোঝা যায় না। আবার অনেক সময় তাদের হাতে কলমে দেখিয়ে শিখিয়ে দিতে হয়। তাই যারা উঠতি ফুটবলার তারা কাছ থেকে এ ধরনের ম্যাচ দেখে অনেক কিছু শিখতে পারবেন।
বাবা কালু ঘোষ ফুটবল খেলতেন। তাই বাড়িতে একটা ফুটবলের আবহ ছিলই। মোহনবাগানকে সম্মান করেই বলি আমি কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের সমর্থক। তার উপর মারাদোনার ফ্যান। মনে আছে একবার প্যারিসে গিয়েছিলাম ওয়ার্ল্ড রেলওয়ে টেবল টেনিস খেলতে। আমার জীবনে সেটা প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল। একটি পার্টি ছিল। আমরা পার্টিতে ছিলাম। সে সময় বিশ্বকাপ ফুটবল চলছিল। কিছু পরে দেখলাম পার্টির হলঘরে অনেক লোক ঢুকছে। তার পর দেখলাম বহু লোকের দখলে চলে গেল ওই হল। সেখানে জায়ান্ট স্ক্রিন ছিল। সকলের সঙ্গে বসে হুল্লোড় করে আমিও মারাদোনার খেলা দেখলাম। সেটাই বারবার মনে পড়ছে।