কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজে ফেরার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্টো দিকে মুখ্যমন্ত্রীকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। দু’পক্ষের এই অনড় অবস্থানের মাঝে গোটা স্বাস্থ্য পরিষেবাই কার্যত বিপর্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে এ বার রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর দ্বারস্থ হলেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা। রাজভবনে গিয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া জানিয়ে এসেছেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা।

বৃহস্পতিবারই এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের হুঁশিয়ারি দেন, ৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজে যোগ দিতে হবে চিকিৎসকদের। কিন্তু তার পরেও আন্দোলন ওঠেনি। বরং মুখ্যমন্ত্রীর ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ’-এর জন্য তাঁকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন মেডিক্যাল ছাত্রছাত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই এনআরএস হাসপাতালে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধি দল রাজভবনে যান। রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে রাজভবনের গেটে তাঁরা জানান, কেশরীনাথকে গোটা বিষয়টি তাঁরা জানিয়েছেন। তাঁরা পরিষেবা দিতে প্রস্তুত। কর্মক্ষেত্রেই রয়েছেন। রাজ্য সরকার তাঁদের দাবিদাওয়ার পূরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা ফের কাজে যোগ দেবেন।

আরও পডু়ন: ৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজে যোগ না দিলে কঠোর ব্যবস্থা, এসএসকেএম-এ গিয়ে ডাক্তারদের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

আরও পডু়ন: নিঃশর্ত ক্ষমা চান মুখ্যমন্ত্রী, না হলে আন্দোলন চলবে, ঘোষণা এনআরএস-এর জুনিয়র ডাক্তারদের

আন্দোলনকারীদের তরফে বলা হয়, বিভিন্ন হাসপাতালে ইতিমধ্যেই জরুরি পরিষেবা চালু করা হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সাপে কাটা এক রোগী এসেছিলেন, তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছে। এ ছাড়া যে সব রোগী আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন, তাঁদেরও পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।