সারদা-কাণ্ডে তাঁর দলের এক সাংসদ তাপস পাল বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন। লোকসভার বিরোধী দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু দিন আগে জামিন পেলেও এখনও সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেননি। সেই রেশ কাটতে না কাটতে ফের নারদ-কাণ্ডে সিবিআইয়ের ডাক পেয়েছেন দলের এক সাংসদ ও বিধায়ক, সুলতান আহমেদ ও ইকবাল আহমেদ। সম্পর্কে তাঁরা দাদা-ভাই। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বর্ধমানে এক জনসভায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে এক হাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বলেছেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সিবিআইকে ভয় পায় না। প্রতিবাদ করলে যদি সিবিআই ও আয়কর হানা হয়, তাতেও ভয় পাই না।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আমরা মানুষকে ভয় পাই। আর কাউকে ভয় পাই না। মানুষের পক্ষে, মানুষের সমর্থনে দাঁড়াতে গিয়ে যদি সব শেষ হয়ে যায়, তা-ও দিতে রাজি। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আদর্শ। মানুষের জন্য লড়ব। যা ইচ্ছে, করে নিন।’’

রাজনৈতিকমহলের একাংশের বক্তব্য, নারদ-কাণ্ডে ধীরে ধীরে চাপ বাড়াচ্ছে সিবিআই। ইকবালকে এক দফা জেরার পরে তাঁর দাদা সুলতানকে ৩ জুলাই তাঁদের দফতরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পাঠিয়েছে তারা। সিবিআইয়ের দাবি, লোকসভার সাংসদ সুলতানকে জেরা করার আগে তারা যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ তৈরি রেখেছে। নারদ-কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েলের কাছ থেকে নেওয়া টাকা তিনি যে বিশ্বস্ত কর্মচারীর হেফাজতে রেখেছিলেন, তাঁকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে।