কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাদের অবসরের বয়স বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এই ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাদের অবসরের বয়স ৬২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ করা হবে।

এ দিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গাঁধীকে এ দিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সাম্মানিক ডিলিট দেওয়া হয়।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রেসিডেন্সি এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, “আমি যখন শুনলাম প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির কনভোকেশনের জন্য রাজভবন বেছে নেওয়া হয়েছে, একটা হল পর্যন্ত নেওয়া হয়নি,  খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমি ভাবতে পারি না এ জিনিস। একটা কনভোকেশন হবে, ছাত্রছাত্রীদের ডিগ্রি দেওয়া হবে। যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে মাননীয় গভর্নর গিয়েছিলেন। তাঁর হাত থেকে সার্টিফিকেট নিতে অস্বীকার। প্রেসিডেন্সির কনভোকেশনে গভর্নর যাবেন। তাতে আপত্তিটা কোথায়।”

আরও পড়ুন: বীরভূমের বাইরেও ‘কেষ্ট দাওয়াই’-এর ভাবনা? আরও বড় দায়িত্ব পাচ্ছেন অনুব্রত

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী পুজো কমিটিগুলিকে সাহায্য করেন, তাই কেন্দ্র চাপ দিচ্ছে: ফিরহাদ

মুখ্যমন্ত্রী ওই দুই ঘটনার কড়া নিন্দা করে বলেন,“ আমি সেই রাজনীতিকে রাজনীতি বলে মনে করি না, যা মানুষকে মানুষের সম্মান দিতে পারে না। আমি সেই রাজনীতিতে বিশ্বাস করি, যে রাজনীতি সৌজন্যের কথা বলে।”

(বাংলার রাজনীতি, বাংলার শিক্ষা, বাংলার অর্থনীতি, বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার স্বাস্থ্য, বাংলার আবহাওয়া -পশ্চিমবঙ্গের সব টাটকা খবরআমাদের রাজ্য বিভাগে।)