সমাজকর্মী হিসেবেই পরিচিতি সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই পরিচিতি কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মহিলার সঙ্গে প্রাথমিক সখ্য গড়ে তোলা ও সেই সখ্যকে আরও বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া। এ ভাবেই পাতা হত ফাঁদ। তার পর প্রেমের অভিনয় আর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস। এতেই শেষ নয়। এর পর সহবাসের ছবি ভিডিয়ো করে রেখে ব্ল্যাকমেল ও আরও নির্যাতন।  সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে এই চক্র চালানোর অভিযোগ উঠল সোনারপুর এলাকায়।

অভিযুক্তের নাম প্রবীর মুখোপাধ্যায়। সুন্দরবনে বাড়ি হলেও সোনারপুরের ঘাসিয়াড়াতে এই জন্য একটি বাড়িও ভাড়া নিয়েছিল সে। এই মর্মেই সোনারপুর থানায় অভিযোগ আনলেন দুই নির্যাতিতা। অভিযোগকারিণী দুই নির্যাতিতার মধ্যে এক জনের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঠাকুরনগরে। অন্য জনের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। এদের মধ্যে এক জন আবার নাবালিকা।  তাঁদের  অভিযোগ, পুলিশের  ভয় দেখিয়ে অভিযুক্ত তাঁদেরকে  জোর করে আটকে রেখেছিল। শুধু তাই নয়, রোজ রাতে মদ খাইয়ে শারীরিক নির্যাতন করত। এবং তার ভিডিয়ো করেও রাখত। বিষয়টি কাউকে জানিয়ে দিলে সেই ভিডিয়ো ভাইরাল করে দেওয়ারও হুমকি দিত অভিযুক্ত ওই যুবক।

শুধু সোশ্যাল মিডিয়া নয়, আরও বিভিন্ন উপায়ে ফাঁদ পেতে একাধিক মহিলার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন: ডাক্তার পাত্র সেজে প্রতারণা, গ্রেফতার যুবক

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘাসিয়াড়ার যে বাড়িতে অভিযুক্ত থাকত সেই বাড়ি আপাতত তালাবন্ধ। পলাতক প্রবীরের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: ‘লাভ জেহাদ’ বিতর্কে বিজেপি

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাংলায় খবর জানতে পড়ুন আমাদের রাজ্য বিভাগ।