সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

খলনায়িকা থেকে গোয়েন্দা মেয়েরা কম যায়নি কিছুতেই

উনিশ শতকে খলনায়িকার অভাব ছিল না। ছলাকলায় গোয়েন্দার মন ভোলানোই ছিল তার লক্ষ্য। ক্রমে মেয়েদের কলমেও উঠে এল একের পর এক গোয়েন্দা। প্রভাবতী দেবী সরস্বতীর কৃষ্ণা থেকে সুচিত্রা ভট্টাচার্যের মিতিনমাসি। রণিতা চট্টোপাধ্যায়

sketch
মোহিনী: পাঁচকড়ি দে’র ‘মায়াবী’ উপন্যাসের একটি অলঙ্করণ।

৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৮৪। ‘দ্য স্টেটসম্যান’ এবং ‘ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া’-র পাতায় বেরোল ‘তৈলোক্য রাঁড়’ মামলার চূড়ান্ত রায়। রাজকুমারী নামে এক বারাঙ্গনাকে হত্যার দায়ে ফাঁসির আদেশ হয়েছিল অভিযুক্ত ত্রৈলোক্য রাঁড়ের।

এই রায়ের কিছু দিন আগের ঘটনা। বড়বাজারের এক বিখ্যাত গয়নার দোকান থেকে উধাও দশ হাজার টাকা মূল্যের জহরত। এক রানির পছন্দ করা জহরতগুলি অনেকটা আজকের ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’-র শর্ত অনুসারে দোকানের যে কর্মী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন, নিখোঁজ তিনিও। তদন্তে নামলেন দারোগা প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়। খুন ও চুরির দায়ে ধরা পড়ল দুই অপরাধী, তাদের মধ্যে এক জন মহিলা! পেশায় বারবনিতা, নাম ত্রৈলোক্যতারিণী। সে দিন অবশ্য প্রমাণাভাবে রেহাই পেয়ে গিয়েছিল ত্রৈলোক্য। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। 

উপরের দু’টি ঘটনারই অনুপুঙ্খ বিবরণ সাধারণ মানুষ জেনেছিল তদন্তের ভারপ্রাপ্ত গোয়েন্দা পুলিশ প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়ের বিবরণে। তাঁর ‘দারোগার দপ্তর’-এর তিনটি সংখ্যা জুড়ে প্রকাশিত হয়েছিল ত্রৈলোক্যের অপরাধের কাহিনি। উনিশ শতকের স্বল্প বিনোদনের যুগে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় জারিত সেই গরম খবর কেমন আলোড়ন ফেলেছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে, তার প্রমাণ ‘দারোগার দপ্তর’-এর একুশ বছরে ২১৭টি কিস্তি! 

আরও পড়ুন: আমাকে ভুলতে পারো, আমার গান ভুলবে কী করে?

এ জাতীয় পুলিশ কেস বা ফাইলের সূত্রেই বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যের গোড়াপত্তন। এই সব লেখায় অপরাধের সঙ্গে মেয়েদের পাকাপোক্ত যোগাযোগের হদিশ মেলে বটে, কিন্তু গোয়েন্দাগিরির ক্ষেত্রে স্বভাবতই এখানে মেয়েদের কোনও ভূমিকা থাকা সম্ভব ছিল না। অথচ তাদের উপস্থিতি কাজে লাগিয়ে পাঠকের চোখ টানার চেষ্টা ছিল পুরোদমে। ‘দারোগার দপ্তর’-এর বাণিজ্যিক সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গেই বটতলা-জাতীয় গোয়েন্দা কাহিনি লেখার হিড়িক পড়ে গেল। মহাজনের পন্থা মেনেই সেখানেও লাস্যময়ী খলনায়িকাদের ভিড়। কিছু দিন পরেই আসর জাঁকিয়ে বসলেন পাঁচকড়ি দে। ‘মায়াবিনী’, ‘মনোরমা’, ‘নীলবসনা সুন্দরী’— তাঁর একের পর এক বইয়ে সুপারহিট হল গোয়েন্দা দেবেন্দ্রবিজয় আর খলনায়িকা জুমেলিয়ার জুটি। খলনায়িকাকে দিয়ে গোয়েন্দার প্রতি প্রেম নিবেদন, প্লটের এহেন মোক্ষম মোচড়েই জুমেলিয়াকে মনে রাখল বাঙালি পাঠক। এক দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বই উৎসর্গ, অন্য দিকে খলনায়িকার ‘বক্ষের বসন ও কাঞ্চলী খুলিয়া’ গোয়েন্দার মন ভোলানোর চেষ্টা, বিদ্বজ্জনের পাশাপাশি সাধারণ পাঠকের নাড়ি বুঝতেও ভুল করেননি পাঁচকড়ি দে।

গোয়েন্দা কাহিনির জমজমাট বাজার ধরতে পিছিয়ে ছিলেন না তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী দীনেন্দ্রকুমার রায়ও। তাঁর ‘রঙ্গিনীর রণরঙ্গ’ বইয়ে সগৌরবে উপস্থিত মেয়ে দস্যু মিস ওলগা নাসমিথ। নারীর সঙ্গে টিআরপি-র সম্পর্ক যেন বরাবরই সমানুপাতিক। এ দিকে ভদ্র কন্যার চরিত্র দিয়ে তো জনতোষণের চাহিদা মেটে না। অতএব লেখকদের এক ঢিলে দুই পাখি মারার উপায় ছিল খলনায়িকার চরিত্র সৃষ্টি। পুলিশি তদন্তের বর্ণনা থেকে পতিতালয়ের সঙ্গে অন্ধকারের লেনদেনের সম্পর্ক অজ্ঞাত ছিল না বলে এ জাতীয় চরিত্রের জোগান দিতে তাঁদের বিশেষ বেগ পেতে হয়নি। আরও পরে স্বপনকুমারও তাঁর গোয়েন্দা দীপক চ্যাটার্জির বিপরীতে আমদানি করেন দুর্দান্ত কালনাগিনীকে। দস্যুতা তার পেশা হলেও অপরূপা সুন্দরী কালনাগিনীর রবিনহুড-জাতীয় কার্যকলাপ অবশ্য তাকে পূর্বসূরিদের থেকে খানিক আলাদা করেছে। বলতে হয় স্বপনকুমারের সৃষ্ট আর এক খলনায়িকা, ‘আগুনের নেশা মাখানো’ লাস্যময়ী ফ্লোরার কথাও। ইন্দো-চিনা অপরাধী লিউসিনের এই সঙ্গিনী রূপযৌবনের ফাঁদ পেতে কার্যোদ্ধার করতেই অভ্যস্ত।

প্রশ্ন উঠতে পারে, উনিশ শতকের শেষেই যখন মেয়েরাও ক্রমশ পা রাখছেন লেখালিখির জগতে, সে ক্ষেত্রে মেয়েদের কলমেই কি তৈরি হতে পারত না এই গড্ডল প্রবাহের একটা ফিরতি বাঁক! তা হলে মনে করে নেওয়া যাক প্রথম অপরাধ-বিষয়ক কাহিনির লেখিকা সৌদামিনী দেবীর কথা। তাঁর বই ‘মাতঙ্গিনী’ প্রকাশিত হয়েছিল ১২৯৫ বঙ্গাব্দে। এক ব্যভিচারিণী স্ত্রীর স্বামী-হত্যার ঘটনা ঘিরে গড়ে উঠেছিল এই বইয়ের কাহিনি। সৌদামিনী যদিও পিতৃতন্ত্রের পক্ষেই আদ্যন্ত ওকালতি করেছিলেন, তবু এমন পাপের চিত্র অঙ্কনের অভিযোগে ‘বামাবোধিনী’ পত্রিকার তীব্র নিন্দার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। আদর্শ নারীর সঙ্গে হিংসাত্মক ঘটনার এই যে মুখ দেখাদেখিটুকুও বন্ধ, এমন শর্ত মেনে আর যা-ই হোক, মেয়ে গোয়েন্দার উৎপত্তি আদৌ সম্ভব ছিল না।

আরও পড়ুন: মহামারি রুখতে আইন

কিন্তু বাজার বিষম বস্তু। সময়ের চাকা ঘুরছিল। বিশ শতকের মাঝামাঝি নারীশিক্ষা আন্দোলন পৌঁছে গেল তার গন্তব্যে। আধুনিক শিক্ষিতা মেয়েদের পছন্দসই বইয়ের জোগান কোথায়? এমন চরিত্রও তো অপ্রতুল, যার মধ্যে নিজেদের খুঁজে নিতে পারেন তাঁরা। এ পর্যন্ত গোয়েন্দার ভূমিকা ছিল পুরুষের একচেটিয়া অধিকারে, এমনকি মেয়েদের কলমেও। কিন্তু মেয়েরাই বা কেন পিছিয়ে থাকবে গোয়েন্দাগিরিতে? দেখা গেল, কাঁথা সেলাই করে আর রাজ্যের খবর শুনে জীবন কাটিয়ে ফেলা অবিবাহিতা এক গ্রাম্য মহিলা ঘরে বসেই ছাড়িয়ে ফেলতে পারছেন অতীতের হত্যারহস্যের জট। ‘বিন্দিপিসির গোয়েন্দাগিরি’-তে এমনই এক গল্প শুনিয়েছিলেন সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়। প্রতুলচন্দ্র গুপ্তের ‘ঠাকুমার গোয়েন্দাগিরি’ গল্পে আবার সদ্যবিধবা ঠাকুমা তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবলে ধরে ফেলেন ঠাকুরদার খুনিকে। তবে এ সবই ছিল বিচ্ছিন্ন কাহিনি। তা ছাড়া কলেজপড়ুয়া মেয়েদের নতুন ‘টার্গেট গ্রুপ’-কে তৃপ্ত করার মতো উপাদানও ছিল না তাতে।

বৈশাখ, ১৩৫৯। মাসিক ‘শুকতারা’র পাঠকদের নজর কেড়ে নিল পাতাজোড়া একটি বিজ্ঞাপন। প্রকাশিত হতে চলেছে “এদেশে মেয়েদের ‘আডভেঞ্চার’-বইয়ের প্রথম পথপ্রদর্শিকা” প্রভাবতী দেবী সরস্বতীর ‘কৃষ্ণা’ সিরিজ়। তত দিনে ‘প্রহেলিকা’ আর ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ সিরিজ়ের চারটি কাহিনিতে কৃষ্ণার সঙ্গে পরিচিত হয়েছে বাঙালি পাঠিকারা। তাঁদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে এমন একটি মেয়ে, পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে যে ভয়ঙ্কর দস্যু ইউ-উইনের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। কৃষ্ণাকে অবলম্বন করেই বাংলা সাহিত্য পেল প্রথম মেয়ে গোয়েন্দা সিরিজ়। ক্রমশই বাড়ছিল এর জনপ্রিয়তা। ফলে কৃষ্ণার পরে মেয়ে গোয়েন্দা শিখাকে কেন্দ্র করে আরও একটি পৃথক সিরিজ় ‘কুমারিকা’-র প্রবর্তন করল দেব সাহিত্য কুটীর। কিন্তু শিখা জনপ্রিয়তায় কোনও দিন কৃষ্ণার ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি। 

গোয়েন্দা সাহিত্যে বারবারই ফিরে ফিরে এসেছে পতিতাপল্লি, শুঁড়িখানা, মাদক, চোরাচালান, আর সর্বোপরি নরনারীর অবৈধ সম্পর্ক ও নিষিদ্ধ যৌনতা। এমনটা হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়, কারণ মানুষের মনের অন্ধকার দিকগুলোই তো অপরাধ-মনস্তত্ত্বের আঁতুড়ঘর। কিন্তু বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যের প্রাথমিক যুগে নারী, অপরাধ এবং নিষিদ্ধ যৌনতাকে মিলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল একই সমীকরণে। আশির দশকে এই ভাবনাকে চ্যালেঞ্জ জানাল অদ্রীশ বর্ধনের গোয়েন্দা নারায়ণী। নারীর সঙ্গে উদগ্র যৌনতার পূর্ব সমীকরণ এখানেও বজায় রইল, তবে এ বার তাকে দেখা গেল অপরাধের অন্য প্রান্তে। দ্রুত বদলাতে লাগল এত দিনের ট্র্যাডিশন।

দারোগা প্রিয়নাথ থেকে ব্যোমকেশ পর্যন্ত পৌঁছনোর পথে পুরুষ গোয়েন্দারা অ্যাকশন-নির্ভরতা থেকে ঢুকে পড়ছিলেন বৌদ্ধিক চর্চার দুনিয়ায়। একই পথ ধরে এগিয়ে গেলেন মেয়ে গোয়েন্দারাও। অজিতকৃষ্ণ বসু হাজির করেছিলেন সায়েন্স কলেজ থেকে এক্সপেরিমেন্টাল সাইকোলজিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম নন্দিনী সোমকে। নারায়ণীর সমকালেই মাসিক রোমাঞ্চ পত্রিকার পাতায় দেখা দিলেন আর্মচেয়ার ডিটেকটিভ দময়ন্তী। মনোজ সেনের সৃষ্ট এই গোয়েন্দা বিবাহিতা, ইতিহাসের অধ্যাপিকা। দময়ন্তীর উত্তরসূরি রূপে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি উপস্থিত হল তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়েন্দা গার্গী। অঙ্কের মেধাবী ছাত্রী গার্গী প্রথমে থাকত দাদা-বৌদির পরিবারে, পরে ‘ঈর্ষার সবুজ চোখ’ উপন্যাসে ভগ্নীপতি সায়ন চৌধুরীকে বধূহত্যার অভিযোগ থেকে মুক্ত করে সে এবং ঘটনাচক্রে বিবাহ করে তাকে। শিল্পপতি সায়নের কোম্পানির ডিরেক্টর গার্গীর রহস্য উন্মোচনের কাহিনির ফাঁকে ফাঁকে লেখক বুনে দেন ননদ ও সহকারী সোনালিচাঁপা এবং ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে গার্গীর সংসারের ছবিও। সংসার আর পেশাকে চমৎকার সামলাতে পেরেছে সুচিত্রা ভট্টাচার্যের পেশাদার গোয়েন্দা, ‘থার্ড আই’-এর কর্ণধার প্রজ্ঞাপারমিতা মুখার্জি ওরফে মিতিনমাসিও। পারমিতা ঘোষ মজুমদারের গোয়েন্দা চরিত্র, অর্থনীতির ছাত্রী ও প্রাক্তন সাংবাদিক রঞ্জাবতী মজুমদার অবিবাহিত, কিন্তু বন্ধু ও সহকারী লাজবন্তীর পরিবারকেই সে আপন করে নিয়েছে। এমন বেঁধে বেঁধে থাকার ছবিই দেখা গিয়েছিল ষাটের দশকে চার মেয়ে গোয়েন্দাকে নিয়ে নলিনী দাশ-এর কিশোরপাঠ্য গোয়েন্দা গণ্ডালু সিরিজ়ে। চারটি মেয়ের বন্ধুত্ব হয়ে উঠেছিল এই সিরিজ়ের মূল সুর। মেয়ে গোয়েন্দাদের এই পরম্পরায় বুদ্ধির পাশাপাশি উপস্থিত মানবিকতার স্পর্শ, বিশেষত মেয়েদের প্রতি সহমর্মিতা। কৃষ্ণা বলে, ‘মেয়েদের বিপদে মেয়েরা না দেখলে কে দেখবে বলো?’ ‘প্রেম’ গল্পে যে পদ্মিনী খুন হয়ে যাওয়ার পর ব্যভিচারিণীর তকমা পেয়েছিল, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তার মনোবিশ্লেষণই হয়ে ওঠে দময়ন্তীর রহস্যভেদের চাবিকাঠি।

আর এক পদ্মিনীর কথা। সে শিকার নয়, অপরাধী। প্রথম খুন, পুরনো দিনের এক অভিনেত্রী। দ্বিতীয় খুন, এক হেয়ারড্রেসার। তৃতীয় খুন, থুড়ি, খুনের চেষ্টা এক সাংবাদিককে। এক কালে রুপোলি পর্দা কাঁপানো মহানায়িকার এহেন মতিভ্রম কেন হঠাৎ? এখানেও আলোর দিশা দেখাল মনের অন্ধকারই। দময়ন্তীর মতো ঘরে বসেই রহস্যের জট ছাড়ালেন যিনি, তিনি স্বামীকে হারিয়েছেন বহু দিন আগে। রেঁধে বেড়ে, পোষা বেড়াল আর টেলিভিশন নিয়েই দিন কাটত তাঁর। কিন্তু মাথা খাটিয়ে আস্ত একটা রহস্যের গোড়ার কথা যে তিনি বুঝে ফেলতে পারেন, পড়ে-পাওয়া চোদ্দো আনা সুযোগটা না এলে তিনি তা জানতেন কেমন করে! মজার কথা হল, ‘শুভ মহরৎ’ সিনেমার এই রাঙাপিসিমার মতো অনেক মেয়েরই যে এমন ঘরোয়া গোয়েন্দাগিরির অভ্যেস, পুরনো সাহিত্যে তার ইঙ্গিত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। কিন্তু যে সময়ে বাংলায় গোয়েন্দা সাহিত্যের শুরু, সেই উনিশ শতক আপাদমস্তক স্ববিরোধে ভরা। থিয়েটারের মঞ্চে তখন মর্জিনার ক্ষুরধার বুদ্ধির কাছে হার মানছে চল্লিশ চোরের মিলিত চাতুর্য। বাহুকবেশী নলের স্বরূপ চিনে নিচ্ছেন ধীময়ী দময়ন্তী। সেও তো প্রায় গোয়েন্দাগিরিই! আর এক দিকে অন্ধকার দুনিয়ায় আনাগোনার অভিজ্ঞতাকে থ্রিলারের আকারে লিখতে কলম ধরছেন দারোগা প্রিয়নাথ। অথচ মেয়েরা বুদ্ধিহীন, এই প্রচলিত মিথের আড়ালে ঢাকা পড়ছে গোয়েন্দা গল্পের প্লটনির্মাণ। বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যে মেয়ে গোয়েন্দার সূত্রপাত যেন সেই পুরনো অবজ্ঞার মুখেই সপাট জবাব।

(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণছবিভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকাকোন দিনকোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন