প্রকাশ্যে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নগরীর ঝলক। থরে থরে সাজানো কামিকাজ়ে ড্রোন। বিপুলসংখ্যক আত্মঘাতী ড্রোন তেহরান ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম ভূগর্ভস্থ এই ‘অস্ত্রনগরের’ ভিডিয়ো প্রকাশ করতেই তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সুড়ঙ্গপথের দু’পাশে থরে থরে সাজানো ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী ড্রোন ও যুদ্ধাস্ত্র। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে মাটির নীচে তৈরি করা সুড়ঙ্গে নৌবাহিনীর ড্রোন, জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং সমুদ্র-মাইন সারিবদ্ধ ভাবে রাখা আছে। এর সঙ্গে কিছু অতিরিক্ত ফুটেজে অস্ত্রনিক্ষেপের ভিডিয়োও দেখা গিয়েছে। এই ভিডিয়োগুলি কবে বা কখন ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছিল সে সম্পর্কে কোনও সুস্পষ্ট তথ্য জানা যায়নি। নৌবাহিনীর ড্রোনগুলি মানববিহীন ‘সারফেস ভেহিকেল’ বা ইউএসভি নামেও পরিচিত। যে জাহাজগুলি হরমুজ়ের সঙ্কীর্ণ চোকপয়েন্ট দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল তাতে আঘাত করা হয় এই ড্রোন দিয়ে বলে দাবি ইরানের। জলের নীচে থাকা ড্রোন (আন্ডারওয়াটার ড্রোন) বিস্ফোরক বহন করে এবং আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করে দেয়। অনলাইনে প্রচার হওয়া বেশ কয়েকটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, একটি ছোট, স্পিডবোট আকৃতির বস্তু ট্যাঙ্কারের দিকে ছুটে এসে ট্যাঙ্কারের পাশে আঘাত করছে। তার পর বিশাল এক বিস্ফোরণ ও ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে এলাকাটি। বিস্ফোরণের পরে আগুন জ্বলে ওঠে ট্যাঙ্কারগুলিতে। মার্কিন সূত্রের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ট্যাঙ্কারে কমপক্ষে দুটি হামলায় নৌ-ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
অন্য দিকে, ইরানের খনিজ তেলের প্রধান ঘাঁটি খার্গ আইল্যান্ডে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। ইরান যদি হরমুজ় প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তবে তেলের ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।