Advertisement
E-Paper

স্বামীর সঙ্গে যৌথ অ্যাকাউন্টে সর্বস্ব জমাতেন তরুণী, সন্তান জন্মানোর পর প্রকাশ্যে কিপটে স্বামীর ‘৩৭ লাখি’ সত্যি

বিয়ের আগে তিনি চাকরি করতেন। বিয়ের পর যৌথ সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। স্বামীর একার উপার্জনেই সংসার চলবে। তরুণী সংসার সামলাবেন। এমন পরিকল্পনার পর নোভা তাঁর চাকরিতে ইস্তফা দেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৮
A woman uncovered her husband’s hidden income and a secret bank account

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

সদ্য সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তরুণী। তার মধ্যেই প্রকাশ্যে এল স্বামীর দ্বিচারিতা। দীর্ঘ বিবাহিত জীবন কাটানোর পরও তাঁর স্বামী বছরের পর বছর ধরে গোপন করে এসেছেন একটি তথ্য। সেই সত্যিটা জানার পর পায়ের তলার মাটি কেঁপে ওঠে ৩২ বছরের তরুণীর। স্বামীর বিশ্বাসভঙ্গের কথা নিজেই প্রকাশ্যে এনেছেন তরুণী। সেখানে তিনি লিখেছেন, যে কোনও সম্পর্কেরই ভিত্তি হল বিশ্বাস। তাঁর স্বামী সেই বিশ্বাস ভেঙেছেন। তিনি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

নোভা (নাম পরিবর্তিত) নামের সেই তরুণী জানিয়েছেন, বিয়ের আগে তিনি চাকরি করতেন। বিয়ের পর যৌথ সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। স্বামীর একার উপার্জনেই সংসার চলবে। তরুণী সংসার সামলাবেন। পরিকল্পনার ফলে নোভা তাঁর চাকরিতে ইস্তফা দেন। সন্তান জন্ম দেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই তরুণীর সমস্ত পৃথিবী দুলে উঠেছিল। যখন তিনি জানতে পারেন যে তাঁর স্বামী বছরের পর বছর ধরে আসল আয় এবং সঞ্চয় গোপন করে এসেছেন।

নোভা এত দিন তাঁর স্বামীকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস করতেন। নিজের সমস্ত উপার্জন তাঁদের যৌথ অ্যাকাউন্টে জমা করতেন। নোভার স্বামী বার বারই তাঁকে জানিয়েছিলেন যে কর দেওয়ার পর ৫ লক্ষ টাকা মাসে হাতে থাকে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানতে গিয়ে একটি ফোনালাপের সময় অপ্রত্যাশিত ভাবে সত্যটি সামনে আসে। এক সরকারি আধিকারিক ভুলবশত নোভার স্বামীর বেতনের পরিমাণ অনেক বেশি বলে উল্লেখ করেন। নোভার মনে সন্দেহের জন্ম হয়। বিরক্ত হয়ে তিনি তাঁর স্বামীর ব্যাঙ্ক রেকর্ড পরীক্ষা করেন।

সেই অ্যাকাউন্ট ঘেঁটে নোভা দেখতে পান, তাঁর স্বামী প্রতি মাসে ৬ হাজার ডলারেরও বেশি একটি পৃথক অ্যাকাউন্টে জমা রেখেছেন। নোভার স্বামীর আসল বেতন ছিল প্রতি মাসে প্রায় ৮,৫০০ ডলার (প্রায় ৭.০৫ লক্ষ টাকা)। গোপন অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই ৪৫,০০০ ডলার (প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা) এর বেশি জমা হয়েছিল। নোভা জানান, তাঁর স্বামী কিপটে গোছের ছিলেন। টাকা খরচ করার ব্যাপারে চরম অনিচ্ছা দেখাতেন তরুণ।

এই ঘটনা নোভার আর্থিক এবং মানসিক নিরাপত্তার অনুভূতিকে ধ্বংস করে দেয়। সেই সময় তিনি চার সপ্তাহের শিশুকে নিয়ে বাড়িতেই বসে ছিলেন। খরচ চালানোর জন্য সম্পূর্ণ ভাবে স্বামীর উপর নির্ভরশীল হতে হয়েছিল তাঁকে। পরে স্বামীর মতামতের তোয়াক্কা না করেই আবার চাকরিতে যোগ দেন নোভা।

Income
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy