বাড়ি থেকে অফিস যেতে দেড় ঘণ্টা সময় লাগত তরুণের। প্রতি দিন যাতায়াতের জন্যই কমপক্ষে তিন ঘণ্টা সময় ব্যয় হত তাঁর। ট্রাফিক সিগনালে আটকে পড়লে তো আর কোনও কথাই নেই! তবে এই ট্রাফিকের কারণেই নাকি সুস্থ ভাবে জীবনযাপন করছেন তিনি। এক বছরের মধ্যে রাতারাতি নিজের ওজনও কমিয়ে ফেলেছেন তরুণ। সমাজমাধ্যমের পাতায় সেই অভিজ্ঞতার কথাই লিখেছেন তিনি। (যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘আর/বেঙ্গালুরু’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে রেডিটের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়েছে। সেই পোস্টে এক কর্মরত তরুণ তাঁর নিত্যজীবনের ছবি তুলে ধরেছেন। বেঙ্গালুরুর এক বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত তিনি। বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় তাঁর বাড়ি। কিন্তু তাঁর অফিস কোরমঙ্গলা এলাকায়। বাড়ি থেকে অফিস যেতে কমপক্ষে দেড় ঘণ্টা সময় লাগত তাঁর। প্রতি দিন যাতায়াতের জন্য তিন ঘণ্টা সময় নষ্ট হত তরুণের। জ্যামে আটকে পড়লে আরও বেশি সময় লাগত বাড়ি পৌঁছোতে। কাজের জন্য মানসিক চাপ তৈরি হলেই অফিসের ডেস্কে বসে অস্বাস্থ্যকর খাবারদাবার খেতে শুরু করতেন তিনি। শরীরচর্চা করার সময় পেতেন না।
দিনের অধিকাংশ সময় অফিসের চেয়ার-ডেস্কেই কেটে যেত তরুণের। কিন্তু গত বছর থেকে জীবনধারায় পরিবর্তন হয় তাঁর। সপ্তাহে তিন দিন বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি পেয়েছেন তিনি। তার ফলে যাতায়াতের সময় বেচে গিয়েছে তাঁর। বরং সেই সময়ের সদ্বব্যবহার করতে শুরু করেছেন তিনি। প্রতি দিন সকাল ৬টায় উঠে জিমে যান তরুণ। অত সকালে জিম প্রায় ফাঁকাই থাকে। বাড়িতে থাকার কারণে বাইরের খাবারও খান না তিনি।
আরও পড়ুন:
কাজ শেষ হওয়ার পর কখনও বাইরে খেতে যাওয়ার ইচ্ছা করলে সেই রাস্তাটুকু হেঁটেই যান তরুণ। অযথা অনলাইনে খাবার অর্ডার করেন না। তরুণের দাবি, এই এক বছরে ৮ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছেন তিনি। বেঙ্গালুরুর ট্রাফিককে কারণ হিসাবে দর্শিয়েছেন তিনি। তরুণের মতে, বেঙ্গালুরুর ট্রাফিকের কারণেই ওজন কমাতে পেরেছেন। পোস্টটি পরে এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘আপনার ওজন কমানোর আসল কারণ হল, আপনি বাড়ি থেকে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। সকালে উঠে অফিস যাওয়ার প্রস্তুতি, যাতায়াতের সময়— সব কিছুই বেঁচে যাচ্ছেন আপনার।’’