Advertisement
E-Paper

ধনকুবের তরুণীদের ‘প্রেমিক’ সেজে করতে হয় ঘরকন্নার কাজ! মাসে প্রায় ছ’লক্ষ টাকা আয় তরুণের

একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করা, গল্প করা, মনখারাপের সময় হাতে হাত রাখা, বাইরে ঘুরতে যাওয়া, কেনাকাটা করাতে নিয়ে যাওয়া— তরুণের হাজারো কাজ। তার পাশাপাশি তরুণীদের ঘরের কাজও সামলাতে হয় তরুণকে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৫ ০৮:০৪

—প্রতীকী ছবি।

সব সময় নিজেকে ফিটফাট রাখতে পছন্দ করেন তরুণ। তার জন্য খরচও কম হয় না। তবে চাকরি করে রোজগার করতে হয় না তাঁকে। উপার্জন করার জন্য ‘প্রেমিক’ সেজে ঘোরেন তরুণ। কিন্তু তা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে। শুধু প্রেম করা নয়, তরুণীদের ঘরের কাজও সামলান তিনি। প্রতি মাসে প্রায় ছ’লক্ষ টাকা রোজগার করেন সেই তরুণ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তরুণের নাম তাকুয়া ইকোমা। ৩১ বছর বয়সি তরুণ থাকেন জাপানে। বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন তিনি। চাকরি, ব্যবসা কিছুই করেন না। তবুও মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন তাঁর। তাকুয়ার কাজ ধনকুবের তরুণীদের ‘প্রেমিক’ সেজে থাকা। তরুণের দাবি, একই সময়ে ১৫ জন তরুণীর ‘প্রেমিক’ হয়ে থাকার দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি।

তাকুয়ার কথায়, ‘‘লোকজন আমায় দেখে ভাবেন যে, দারুণ জীবন কাটাচ্ছি আমি। আমার প্রচুর ফাঁকা সময়। কিন্তু একসঙ্গে ১৫ জন তরুণীর প্রেমিক হয়ে থাকা যে কী কঠিন এবং ক্লান্তিকর তা বোঝানো মুশকিল।’’ ১৮ বছর বয়স থেকে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত তাকুয়া। যে তরুণী তাকুয়াকে প্রেমিক হিসাবে ‘ভাড়া’ করেন, তাঁর সঙ্গে আলাদা ভাবে সময় কাটাতে হয় তরুণকে। একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করা, গল্প করা, মনখারাপের সময় হাতে হাত রাখা, বাইরে ঘুরতে যাওয়া, কেনাকাটা করাতে নিয়ে যাওয়া— তরুণের হাজারো কাজ। তার পাশাপাশি তরুণীদের ঘরের কাজও সামলাতে হয় তরুণকে।

তরুণীর পোষ্য থাকলে তাকে নির্দিষ্ট সময়ে বাইরে হাঁটাতে নিয়ে যেতে হয় তাকুয়াকে। ঘরদোর পরিষ্কার করা, বাসন মাজা থেকে শুরু করে শৌচালয়ও পরিষ্কার করে দিতে হয় তাকুয়াকে। তবে তিন ঘণ্টা টানা বাড়ির কাজ করলে তাকুয়া উপার্জন করেন ১ লক্ষ ৬০ হাজার ইয়েন (ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৯৫ হাজার ৩১০ টাকা)।

২০১৯ সালে স্থানীয় এক টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার চলাকালীন তাকুয়া বলেছিলেন, ‘‘মাসে মাত্র আট দিন কাজ করে ১০ লক্ষ ইয়েন (ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৫ লক্ষ ৯৪ হাজার ৪১৯ টাকা) রোজগার করেছি। কিন্তু কোভিড অতিমারির পর আমার কাজ কমতে শুরু করেছিল। এমনও সময় এসেছিল যখন এক তরুণী আমায় লক্ষ লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক দিতে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। শর্ত দিয়েছিলেন যে, শুধুমাত্র তাঁর সঙ্গেই টানা এক মাস থাকতে হবে। কিন্তু তাঁর প্রস্তাবে রাজি হইনি। অন্য তরুণীদেরও সময় দেওয়া প্রয়োজন।’’ বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ছ’লক্ষ টাকার কাছাকাছি উপার্জন করেন তাকুয়া।

Bizarre Japan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy