ভারতীয় সংস্কৃতি খুবই সুন্দর। এখানে কোনও মেয়েকে স্নেহ করে নানা দেবীর নামে সম্বোধন করা হয়। ঘরের মেয়ে-বৌকে লক্ষ্মীদেবীর আখ্যা দেওয়া হয়। ভারতীয় এক শ্বশুর তেমনটাই করলেন তাঁর ইউক্রেনীয় বৌমার সঙ্গে। ভিন্দেশি বৌমাকে ভালবেসে ঘরের লক্ষ্মী বলে আশীর্বাদ হিসাবে দিলেন টাকা। ভারতীয় সংস্কৃতি সম্বন্ধে ধারণা না থাকায় তরুণী তো চমকে গেলেন। কিন্তু শ্বশুর নেপথ্যকারণও বুঝিয়ে বললেন। ইনস্টাগ্রামে ভিডিয়ো পোস্ট করে তরুণী সেই মনোরম অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিলেন। সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ল্যাপটপের সামনে হাতে টাকা নিয়ে বসে রয়েছেন এক ইউক্রেনীয় তরুণী। তরুণীর কথা শুনে মনে হল তাঁর বিয়ে হয়েছে কোনও ভারতীয় পরিবারে। বিবাহিত জীবনের এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার জন্যই তিনি ভিডিয়োটি করছেন। ভিডিয়োতে তরুণী জানালেন যে তাঁর শ্বশুর হঠাৎ করেই এসে তাঁকে লক্ষ্মীদেবী বলে সম্বোধন করে হাতে কিছু টাকা গুঁজে দেন। তাতে তরুণী অবাক হয়ে এমনটা কেন করা হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে শ্বশুর সেই কাজের ব্যাখ্যাও দেন। তরুণীর দাবি, তাঁর শ্বশুর তাঁকে জানান যে তরুণী তাঁদের ঘরের বৌ তাই তিনি এখন থেকে এই বাড়ির লক্ষ্মী। তরুণীকে খুশি রাখা তাঁদের দায়িত্ব। তরুণী ভাল থাকলেই বাড়ির প্রত্যেকে সুস্থ থাকবেন এবং সমৃদ্ধি আসবে। শ্বশুরের এ-হেন আচরণ ভিন্দেশি বৌমার মন জিতে নিয়েছে। আপ্লুত হয়ে তরুণী সেই সুন্দর অভিজ্ঞতার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। সেই ভিডিয়োই ভাইরাল হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘দ্রা.সান্দ্রা’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। চার লক্ষের কাছাকাছি মানুষ ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নেটাগরিকেরা নানা ধরনের মন্তব্য করে পোস্টটির মন্তব্যবাক্স ভরিয়ে তুলেছেন। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘আমরা হিন্দু ভারতীয়েরা যে কোনও হিন্দু উৎসবে আশীর্বাদ হিসাবে টাকা পাই।” অন্য এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, “বৌমা বিদেশি বলেই এত আদর-যত্ন, ভারতীয় হলে কাজের লোকের মতন ব্যবহার করা হত।”