১৪ ফুটের লম্বা মৃত্যুদূতকে বিপজ্জনক ভাবে উদ্ধার! উদ্ধারকাজ দেখতে জড়ো হলেন শয়ে শয়ে গ্রামবাসী। শিউরে ওঠা তেমনই একটি ভিডিয়ো সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে, যা অনেক সাহসী মানুষদেরও বুক কাঁপিয়ে দিয়েছে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ১৪ ফুট লম্বা ফণা তোলা বিশাল শঙ্খচূড়কে উদ্ধার করছেন এক নির্ভীক যুবক। যেন মৃত্যুকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উগ্র মেজাজের সাপটিকে উদ্ধারে নেমেছেন তিনি। শত শত গ্রামবাসী রুদ্ধশ্বাসে সেই দৃশ্য দেখছেন। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি নেপালের রাউতাহাট জেলার একটি গ্রামের। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
রোমহর্ষক সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি গ্রামের রাস্তায় ফণা তুলে হিসহিস শব্দ করছে ‘মৃত্যু’। ১৪ ফুটের শঙ্খচূড়কে দেখে গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাপটি এতটাই বিশাল এবং ভয়ঙ্করদর্শন ছিল যে, সেটি দেখেই গ্রামবাসীরা চিৎকার করে ওঠেন। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সাপ উদ্ধারকর্মীকে খবর দেওয়া হয়। সাপটিকে উদ্ধারে আসেন এক যুবক। তিনি উদ্ধারকাজে নামতেই শঙ্খচূড় তার বিশাল ফণা তুলে তাঁকে ভয় দেখাতে শুরু করে। সাপটি ক্রমাগত হিসহিস শব্দ করতে থাকে। দু’এক বার তেড়েও যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন প্রচুর গ্রামবাসী। দূর থেকে সাপ উদ্ধার দেখতে থাকেন তাঁরা। সবার মুখেই আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট ছিল। তবে শেষমেশ যুবক উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দিয়ে লাঠির সাহায্যে সাপটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। বার বার লেজ আছড়াতে থাকে শঙ্খচূড়টি। ফণা তুলে আক্রমণের উপক্রম করে। কিন্তু সাহসী যুবক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ১৪ ফুট লম্বা সাপটিকে বাগে আনেন। নিরাপদে একটি বস্তায় ভরে জঙ্গলে ছেড়ে আসেন সাপটিতে। এর পরই পুরো গ্রাম স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। সেই সংক্রান্ত ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিয়োয় দাবি, নেপালের রাউতাহাট জেলার একটি গ্রামে শঙ্খচূড়টিকে দেখা গিয়েছিল। স্থানীয় যুবক দীপক সেটিকে উদ্ধার করে জঙ্গলে ছেড়়ে আসেন।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘কুমাওন জাগরণ’ নামে একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। অনেকে আবার উদ্ধারকর্মী যুবকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘এটা কোনও সাধারণ সাপ নয়, এ যেন স্বয়ং যমরাজ। যিনি এটিকে ধরেছেন, তাঁর সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই।’’ অন্য এক জন মন্তব্য করেছেন, ‘‘ভিডিয়োটি দেখেই আমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। দৃশ্যটি সত্যিই ভয়াবহ। আর পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রামবাসীদের দেখুন। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই দেখার জন্য তাঁরা কী ভাবে ভিড় জমিয়েছেন।’’