প্রাতঃরাশ করতে কুঁড়েমি। মাইক্রোওয়েভে ডিম সিদ্ধ করতে গেলেন তরুণী। ফল পেলেন হাতেনাতে। চামচ দিয়ে সিদ্ধ ডিম কাটতে যেতেই ঘটে গেল ‘বিস্ফোরণ’। তেমনই একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার ভিডিয়ো সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। হইচইও ফেলেছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই তরুণী মাইক্রোওয়েভে ডিম ‘হাফবয়েল’ করার সহজ উপায় খুঁজতে গিয়েছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়োয় দাবি, তরুণী তাঁর প্রাতরাশ তৈরি করছিলেন। কিন্তু গ্যাসের পরিবর্তে ডিম সিদ্ধ করার জন্য দ্রুততর বিকল্প বেছে নেন তিনি। আলস্যের কারণে মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে ডিম ‘হাফবয়েল’ করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত নাটকীয় মোড় নেয়। ভিডিয়োর ক্যাপশন অনুযায়ী, মাইক্রোওয়েভ থেকে বার করার পর ডিমটি প্রথমে ‘নরম এবং থলথলে’ দেখাচ্ছিল। কিন্তু ডিমটি কাটতে যেতেই পরিস্থিতি ঘুরে যায়। ফেটে টুকরো টুকরো হয়ে যায় ডিমটি। হতবাক হয়ে যান তরুণী। কিছু ক্ষণের জন্য বাক্শক্তি হারান। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। পোস্টটিতে দর্শকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কী ভুল হয়েছিল এবং ভবিষ্যতে কী ভাবে তরুণী এই ধরনের ঘটনা এড়াতে পারেন।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘সোনিবয়’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে। যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন না করে মাইক্রোওয়েভে ডিম সিদ্ধ করার ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘আশা করি বিস্ফোরণ এড়ানোর জন্য ডিমটাকে নোনা জলের বাটিতে রাখতে হবে এবং সময়টাও নিখুঁত ভাবে ঠিক করতে হবে।’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘এ রকম ঘটনা জীবনে দেখিনি। কেন হয় তা-ও জানি না। তবে শুনেছি আলুও বিস্ফোরিত হতে পারে।’’ তৃতীয় এক নেটাগরিক আবার মন্তব্য করেছেন, ‘‘কুঁড়েমির ফল। আমি মাইক্রোওয়েভে ডিম সিদ্ধ করার কথা কখনও ভাবিনি।”
আরও পড়ুন:
বেশ কয়েক জন ব্যবহারকারী উল্লেখ করেছেন, দ্রুত গরম হওয়ার কারণে এবং বাষ্প বার হওয়ার কোনও পথ না থাকায় অনেক সময় ডিমের খোসার ভিতরে চাপ তৈরি হওয়ায় মাইক্রোওয়েভে করা ডিম ফেটে যেতে পারে।