লম্বা লিকলিকে শরীর শৈবালে ঢাকা। জলের মধ্যে চলাফেরা করছে ধীর গতিতে। মাঝেমধ্যে চেরা জিভ বার করছে। তাইল্যান্ডে দেখা মিলল তেমনই এক অদ্ভুত প্রাণীর! সেই প্রাণীর একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। হইচইও ফেলেছে সেই ভিডিয়ো। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই অদ্ভুতদর্শন প্রাণীটি আসলে একটি সামুদ্রিক সাপ। তার গায়ে আশ্রয় নিয়েছে অজস্র শৈবাল। আর সে কারণেই অদ্ভুত চেহারা হয়েছে সাপটির। সমাজমাধ্যম রেডিটে ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি ট্যাঙ্কের মতো কাঠামোর ভিতরে সাঁতার কাটছে লম্বা এবং সরু একটি প্রাণী। সাপের মতো চেহারার প্রাণীটির সারা গায়ে শৈবাল বাসা বেঁধেছে। দেখে মনে হচ্ছে যেন শরীরে অজস্র লোম লেগে রয়েছে। ট্যাঙ্কটির মধ্যে ধীর গতিতে চলাফেরা করছে সাপটি। মাঝেমধ্যে চেরা জিভ বার করছে জলের মধ্যে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে তাইল্যান্ডের সাখোন নাখোনে স্থানীয় এক যুবক ওই সাপটি খুঁজে পেয়েছিলেন। গভীর রাতে বাড়ি ফেরার সময় সরীসৃপটিকে দেখতে পান তিনি। প্রাণীটির অদ্ভুত চেহারা দেখে অবাক হয়ে যান। এর পর সেটি বাড়িতে রাখেন। তখনই ওই ভিডিয়ো ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন তিনি। ভিডিয়োটি পুরোনো হলেও আবার নতুন করে নেটপাড়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সেটি।
আরও পড়ুন:
নতুন করে ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই অনেকে আবার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘আমি আগে কখনও এমন সাপ দেখিনি। দেখে মনে হচ্ছে যেন ড্রাগন।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘ভয়ঙ্কর! তবে প্রকৃতিতে এমন সাপের দেখা মেলে। সামুদ্রিক সাপেরা জলে অনেক ক্ষণ সময় কাটানোর জন্য তাদের গায়ে শৈবাল জমা হয়।’’