Advertisement
E-Paper

তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য শুনানি কেন্দ্রে ডেকে পাঠানো হল এসআইআরের কাজে পুরস্কৃত বিএলও-কে

কাটোয়া-১ ব্লকের খাজুরডিহি পঞ্চায়েতের হরিপুর গ্রামের ১০ নম্বর বুথের বাসিন্দা আতিয়ার সেখানকার সুদপুর উচ্চবিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:০১
আতিয়ার রহমান এবং তাঁর মা।

আতিয়ার রহমান এবং তাঁর মা। নিজস্ব চিত্র।

নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে এসআইআর ম্যাপিংয়ের কাজ সম্পূর্ণ করায় প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এ বার সেই বিএলও-কে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির নোটিস পেলেন পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার হরিপুর গ্রামের বিএলও আতিয়ার রহমান এবং তাঁর মা।

সূত্রের খবর, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সব ফর্ম ডিজিটাইজ করার জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে প্রশংসাপত্র পান আতিয়ার। এ বার তাঁকেই শুনানি কেন্দ্রে ডাকার জন্য চিন্তিত ওই বিএলও।

উল্লেখ্য, কাটোয়া-১ ব্লকের খাজুরডিহি পঞ্চায়েতের হরিপুর গ্রামের ১০ নম্বর বুথের বাসিন্দা আতিয়ার সেখানকার সুদপুর উচ্চবিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক। ওই বুথে মোট ভোটার সংখ্যা ১১৬০। কমিশন তাঁকেই নিজের বুথের বিএলও হিসেবে দায়িত্ব দেয়। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম থাকলেও আতিয়ারের অভিযোগ, অ্যাপে সমস্যার কারণে তার ও তাঁর মায়ের পুরো নাম সঠিক ভাবে আসেনি তাই তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।

বিএলও-র স্ত্রী শাবানা আজমি বলেন, “আমার স্বামী নিষ্ঠার সঙ্গে কমিশনের কাজ করেছে। এখন আবার তাকেই নোটিস পাঠানো হল। এটা কেমন নিয়ম বুঝতে পারছি না।”

এ প্রসঙ্গে কাটোয়ার মহকুমাশাসক অনির্বাণ বসু বলেন, “অনেক এগ্‌জিকিউটিভ অফিসারকেই শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এটা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম। সবাইকেই তা মেনে চলতে হবে।”

East Bardhaman BLO
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy