E-Paper

বিয়ে রেজিস্ট্রির অফিসে যুগল, স্কুটারে রিভলভার

আগ্নেয়াস্ত্রটি কোথা থেকে এল, তা জানতে শনিবার রাত পর্যন্ত দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৫
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’-তে বিয়ের রেজিস্ট্রির আবেদন করতে এসেছিলেন যুবক ও তরুণী। বাইরে স্কুটার রেখে ঢুকেছিলেন রেজিস্ট্রি অফিসে। এরই মধ্যে, সেখানে হাজির পুলিশ। দু’জন অফিস থেকে বেরোতেই, তল্লাশি চলে স্কুটারে। উদ্ধার হয় একটি রিভলভার। শনিবার দুপুরে বর্ধমান শহরের গোলাপবাগ মোড় থেকে ওই যুগলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। দু’জনেরই পরিবারের দাবি, তাঁদের ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আগ্নেয়াস্ত্রটি কোথা থেকে এল, তা জানতে শনিবার রাত পর্যন্ত দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখনও তাঁদের গ্রেফতার করা হয়নি। জেলার এক পুলিশকর্তা শুধু বলেন, “কিছু সূত্র ধরে তদন্ত চলছে।” পুলিশ জানায়, রাতে তরুণীর এক আত্মীয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বর্ধমান শহরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ওই তরুণীর সঙ্গে বছর দুয়েক ধরে প্রেমের সম্পর্ক বাঁকুড়ার পাত্রসায়রের ওই যুবকের। যুবক গৃহশিক্ষকতা করেন। এ বছর নবম-দশমের এসএসসি-তে উত্তীর্ণ হয়েছেন, জানায় পরিবার। পুলিশের দাবি, একটি স্কুটারে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরির খবর মেলে সূত্র মারফত। এ দিন গোলাপবাগ মোড়ের কাছে সেই স্কুটার আসার খবর পেয়ে তল্লাশি চলে। পুলিশ জেনেছে, স্কুটারটি তরুণীর এক আত্মীয়ার। তরুণীর দিদিমার দাবি, “পুলিশ হঠাৎ জানল কী ভাবে, স্কুটারের ডিকিতে বন্দুক আছে? কেউ নাতনিকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। বিয়ে আটকাতেই এই চক্রান্ত করা হতে পারে।”

যুবকের দাদারও বক্তব্য, “ভাই টিউশন, নিজের পড়াশোনা নিয়েই থাকে। ও আগ্নেয়াস্ত্র রাখতে যাবে কেন? কে বা কারা ফাঁসাতে চাইছে।” পুলিশ জানায়, আগ্নেয়াস্ত্রটি কার, কী ভাবে সেটি স্কুটারে এল, দেখা হচ্ছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Marriage Registry

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy