Advertisement
E-Paper

জেলায় জেলায় রাজ্য পুলিশের কোভিড সেল

পুলিশ সূত্রের দাবি, আক্রান্ত পুলিশকর্মীরা যাতে ঠিক মতো চিকিৎসা এবং সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পান তা দেখাই এই সেলের কাজ। সেলগুলির মাথায় এক জন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অথবা ডিএসপি রয়েছেন।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ০৭ অগস্ট ২০২০ ০৪:৩২
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

দাগি গুন্ডা-অপরাধীরা উর্দির নাম শুনলে কাঁপে। এ হেন বাহিনীর মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে করোনা! তা নিয়ে চিন্তিত পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। কলকাতা পুলিশে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪৫০ জন করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন।বুধবার পর্যন্ত রাজ্য পুলিশে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৭৪। তার মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯০১ জন। কোভিড আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ছ'জন এবং কলকাতা পুলিশের আট জন। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতি জেলায় কোভিড সেল খুলেছে রাজ্য পুলিশ।

পুলিশ সূত্রের দাবি, আক্রান্ত পুলিশকর্মীরা যাতে ঠিক মতো চিকিৎসা এবং সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পান তা দেখাই এই সেলের কাজ। সেলগুলির মাথায় এক জন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অথবা ডিএসপি রয়েছেন। সেলের কর্মীরা নিজেদের জেলায় আক্রান্ত পুলিশকর্মীর বিস্তারিত তথ্য সংগ্ৰহ করে তা জেলা স্বাস্থ্য দফতর, রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানীভবন এবং নবান্নে পাঠাচ্ছেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সাথী ওয়েবসাইটেও পুলিশকর্মীদের তথ্য নিয়মিত আপডেট করা হচ্ছে।

রাজ্য পুলিশের এক ডিআইজি বলেন, ‘‘কলকাতা পুলিশের মতোই আমদের রাজ্য পুলিশ কর্মীরা যাতে উপযুক্ত চিকিৎসা পান সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাছাড়া বাহিনীর আক্রান্ত সদস্যদের পরিবার যাতে ঠিকঠাক তথ্য পান সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।’’ তবে রাজ্য পুলিশ কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, কোভিড টেস্টের সেই রিপোর্ট আসতে অনেক দেরি হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, অনেকে উপসর্গহীন রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে কাজ করার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। দক্ষিণবঙ্গের একটি জেলার এসপি জানান, কোনও উপসর্গ দেখা দিলেই সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মীকে ‘সেফ হাউস’ বা নিভৃতবাসে রাখা হচ্ছে। ওই জেলার পুলিশ নিজেদের কর্মীদের সেই ব্যবস্থা করেছে। উত্তরবঙ্গের এক এসপি বলেন, ‘‘সব থানায় বলেছি, কেউ অসুস্থ বোধ করলেই তাঁকে বাকিদের থেকে আলাদা করে টেস্ট করাতে হবে।’’

কোভিড সংক্রমণ ঠেকাতে থানার ডিউটি অফিসারের টেবিলে কাঁচ লাগিয়ে নিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট দূরে থেকে ওই কাঁচের ঘেরাটোপে থেকে অভিযোগকারী বা সাহায্যপ্রার্থীর সঙ্গে কথা বলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও কোভিড আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে আগে কথা বলতে বলা হয়েছে।

(জরুরি ঘোষণা: কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের জন্য কয়েকটি বিশেষ হেল্পলাইন চালু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই হেল্পলাইন নম্বরগুলিতে ফোন করলে অ্যাম্বুল্যান্স বা টেলিমেডিসিন সংক্রান্ত পরিষেবা নিয়ে সহায়তা মিলবে। পাশাপাশি থাকছে একটি সার্বিক হেল্পলাইন নম্বরও।

• সার্বিক হেল্পলাইন নম্বর: ১৮০০ ৩১৩ ৪৪৪ ২২২
• টেলিমেডিসিন সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর: ০৩৩-২৩৫৭৬০০১
• কোভিড-১৯ আক্রান্তদের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর: ০৩৩-৪০৯০২৯২৯)

Coronavirus Health COVID-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy