Advertisement
E-Paper

রাজ্যের বাইরে থাকলে শুনানির জন্য যেতেই হবে না! নথি জমা দিতে পারবেন পরিবারের কেউ, জানাল কমিশন, কাদের ছাড়?

শুনানিকেন্দ্রে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার ক্ষেত্রে কারা ছাড় পাচ্ছেন, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁদের পরিবারের কাউকে নথি নিয়ে শুনানিতে যেতে হবে। দেখাতে হবে দু’রকম নথি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:২২
এসআইআরের শুনানিতে হাজিরায় ছাড় পাচ্ছেন অনেকে।

এসআইআরের শুনানিতে হাজিরায় ছাড় পাচ্ছেন অনেকে। —ফাইল চিত্র।

পড়াশোনা, চিকিৎসা বা পেশাগত কারণে রাজ্যের বাইরে থাকলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুনানিতে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে না। পরিবর্তে ওই ভোটারের পরিবারের কোনও সদস্য শুনানিকেন্দ্রে নথি নিয়ে গেলেই হবে। বৃহস্পতিবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সমস্ত জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে।

শুনানিকেন্দ্রে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার ক্ষেত্রে কারা ছাড় পাচ্ছেন? কমিশন জানিয়েছে, পড়াশোনা ও চিকিৎসার কারণে যাঁরা সাময়িক ভাবে রাজ্যের বাইরে আছেন, তাঁরা ছাড় পাবেন। এ ছাড়া, কোনও বেসরকারি সংস্থায় কাজের সূত্রে যাঁরা রাজ্যের বাইরে রয়েছেন, তাঁদেরও শুনানিতে সশরীরে হাজিরার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। নো-ম্যাপিং এবং এনুমারেশন ফর্মে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে এই ভোটারদের কাউকে শুনানির নোটিস ধরানো হলে তাঁদের সশরীরে হাজিরা দিতে হবে না। পরিবর্তে তাঁদের পরিবারের কোনও সদস্য উপযুক্ত নথি নিয়ে শুনানিকেন্দ্রে যাবেন।

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরাও এ ক্ষেত্রে ছাড় পাচ্ছেন। কমিশন জানিয়েছে, সরকারি কর্মচারী, সামরিক কিংবা আধাসামরিক বাহিনীতে কর্মরত ভোটারদেরও শুনানিকেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে না। সরকারি কর্মীদের মধ্যে যাঁরা রাজ্যের বাইরে কর্মরত (পিএসইউ), তাঁরাও ছাড় পাবেন। এ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট ভোটারের পরিবারের কোনও সদস্যকে শুনানিকেন্দ্রে নথি নিয়ে যেতে হবে। সশরীরে হাজিরার ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া মেনে শুনানি হত, এই সমস্ত ক্ষেত্রেও তা-ই হবে।

পরিবারের সদস্যদের অবশ্য দুই ধরনের নথি নিয়ে শুনানিকেন্দ্রে যেতে হবে। প্রথমে শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের নথি কমিশনের প্রতিনিধিকে দেখাতে হবে। তার পর ওই ভোটারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হবে। কমিশন এসআইআর-এর জন্য যে ১৩টি নথির তালিকা প্রকাশ করেছিল, শুনানিতে তার মধ্যে যে কোনও একটি দেখালেই হবে।

কমিশন আগেই জানিয়েছিল, ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সি ভোটারদের শুনানিকেন্দ্রে হাজিরা দিতে হবে না। তাঁদের বাড়িতে কমিশনের প্রতিনিধি যাবেন এবং শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। প্রতিবন্ধী এবং শারীরিক ভাবে অসুস্থ ভোটারের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ক্ষেত্রে ওই সমস্ত ভোটারের পরিবারের কাউকে ইআরও বা এইআরও-র কাছে আবেদন জানাতে হবে। তা হলেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হবে না। ইতিমধ্যে এই ধরনের কোনও ভোটার শুনানির নোটিস পেয়ে থাকলে তাঁদের ফোন করে হাজিরা না দেওয়ার কথা জানানো হবে।

শুনানির প্রাথমিক পর্যায়ে নো-ম্যাপিং তালিকাভুক্ত ভোটারদের তলব করছে কমিশন। যাঁরা ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে এনুমারেশন ফর্মে নিজেদের কোনও রকম যোগই দেখাতে পারেননি, তাঁরা নো ম্যাপিং তালিকার অন্তর্গত। এই তালিকায় মোট ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬ জন রয়েছেন। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ২৫ লক্ষ ৬০ হাজার ৪৭৬ জনকে শুনানির নোটিস ধরানো হয়েছে। মোট শুনানি হয়েছে ৭ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৯৯ জনের। শুধু বৃহস্পতিবারই ৬৮ হাজার ৫৭৭ জনের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। নো ম্যাপিং তালিকা সম্পূর্ণ হলে তথ্যগত অসঙ্গতির ভিত্তিতে কিছু ভোটারকে শুনানিতে ডাকতে পারে কমিশন।

West Bengal SIR Election Commission SIR
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy