Advertisement
E-Paper

ইডি দফতরে হাজিরা রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের, পুর দুর্নীতি মামলায় প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জেরা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রথীনকে একাধিক বার তলব করেছিল ইডি। সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে ঢোকার আগে মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক রথীন বলেন, “আমায় কিসের জন্য ডেকেছে, জানি না।”

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ১১:০৩
রথীন ঘোষ।

রথীন ঘোষ। —ফাইল চিত্র।

ঢুকেছিলেন সকাল সাড়ে ১০টায়। বার হলেন রাত ৮টা নাগাদ। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে ইডি দফতরে ডেকে জেরা করা হল রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকে।

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে তাঁকে একাধিক বার তলব করেছিল ইডি। সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে ঢোকার আগে মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক রথীন বলেন, “আমায় কিসের জন্য ডেকেছে, জানি না।”

ইতিমধ্যেই এই মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। গত ১১ মে (সোমবার) ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার পর গ্রেফতার করা হয় সুজিতকে। ইডি সূত্রে খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার ঘটনায় তাঁকে তলব করা হয়েছিল। ইডি সূত্রে জানা যায়, ওই তালিকায় কমবেশি ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। এবং দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে মনে করছে ইডি। সেই জন্য একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই মামলায় গত সোমবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত সওয়া ৯টা নাগাদ গ্রেফতার করা হয় বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের সদ্যপরাজিত বিধায়ক সুজিতকে।

প্রসঙ্গত, স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে প্রথম গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে তাঁর সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়ে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট। সেখান থেকেই পুরসভার নিয়োগেও দুর্নীতির হদিস পান তদন্তকারীরা। অয়নের সংস্থা পুর নিয়োগের ক্ষেত্রে ওএমআরের দায়িত্বে ছিল। তদন্তে নেমে একে একে আরও অনেককে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। পরে এই মামলায় অবৈধ ভাবে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তে নামে ইডিও। গত বছর এই মামলায় প্রথম চার্জশিট দেয় সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতিতে কী ভাবে টাকা লেনদেন হত, সেই চার্জশিটে তার হদিস দিয়েছিল তারা। পাশাপাশি, কী ভাবে চাকরি পাওয়া যেত, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছিল। সিবিআই চার্জশিটে দাবি করেছিল, অয়নের দুই এজেন্টের মাধ্যমে বেশ কয়েক জন চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে ৫০ হাজার টাকা করে কমিশন নিয়েছিলেন অয়নের এজেন্টরা। অয়নের মাধ্যমে কলকাতা-সহ ১৬টি পুরসভায় নিয়মবহির্ভূত ভাবে অনেকে চাকরি পেয়েছেন বলে জানানো হয়। চার্জশিটে শমীক চৌধুরী নামে এক এজেন্টের কথা জানায় সিবিআই।

রাতে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে রথীন বলেন, ‘‘যা যা নথি ইডি চেয়েছিল দিয়েছি। ওঁরা কী জানতে চেয়েছিলেন, সেটা ওঁদেরই জিজ্ঞাসা করুন।’’

Rathin Ghosh ED Sujit Bose
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy