ঝালদা পুরসভা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবার ধাক্কা খেল কংগ্রেস। জেলাশাসকই ওই পুরসভার দায়িত্ব সামলাবেন বলে বৃহস্পতিবার নির্দেশ দিল হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। অর্থাৎ সিঙ্গল বেঞ্চে বিচারপতি অমৃতা সিংহের দেওয়া রায়ই বহাল রইল।
গত ৫ ডিসেম্বর হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ ঝালদা পুরসভার কাজকর্মের দায়িত্ব দিয়েছিল জেলাশাসককে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় কংগ্রেস। হাতশিবিরের আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচী জানিয়েছেন, পুরসভার দায়িত্ব জেলাশাসক নিলে দৈনন্দিন কাজকর্মে অসুবিধা তৈরি হবে। শুধু একটি পুরসভাকে সময় দেওয়া জেলাশাসকের পক্ষেও অসুবিধা। যদিও এখনই কংগ্রেসের সেই আবেদন গ্রাহ্য করেনি আদালত।
আরও পড়ুন:
-
শুক্রবার আইপিএল নিলাম, কেকেআরের হাতে সব থেকে কম টাকা, কী ভাবে ক্রিকেটার কিনবে তারা?
-
৩০ ডিসেম্বরেই বন্দে ভারত! চলবে হাওড়া-এনজেপি রুটে, তোড়জোড় শুরু পূর্ব রেলের
-
‘সোজা বাড়ি পাঠিয়ে দেব’! অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে তরুণ সতীর্থকে ধমকেছিলেন ক্ষুব্ধ সচিন, কেন?
-
করোনার আতঙ্ক নয়, বড়দিনও হবে, নিয়ম মেনে গঙ্গাসাগরও, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা
গত সোমবার হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিংহ তাঁর নির্দেশে জানিয়েছিলেন, ঝালদা পুরসভায় কংগ্রেস বা তৃণমূল, কোনও দলই তাদের পছন্দের পুরপ্রধান নিয়োগ করতে পারবে না। আগামী এক মাস ঝালদা পুরসভার যাবতীয় দায়িত্ব সামলাবেন পুরুলিয়ার জেলাশাসক। কিন্তু আদালতের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় আস্থাভোটে জয়ী কংগ্রেস।
জবা মাছোয়ার নামে এক কাউন্সিলরকে চেয়ারপার্সন হিসাবে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৃণমূল। আবার ঝালদা পুরসভার আস্থাভোটে জয়ী হয়ে শীলা চট্টোপাধ্যায়কে পুরপ্রধান মনোনীত করেছিল কংগ্রেস। দায়িত্ব নিতে পারেননি দু’জনের কেউই। গত ২১ নভেম্বর ঝালদা পুরসভায় আস্থাভোটে জেতে কংগ্রেস। অপসারিত হন তৃণমূলের পুরপ্রধান সুরেশ আগরওয়াল। তার পর থেকেই পুরবোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে চলছে টানাপড়েন।