Advertisement
E-Paper

মাটি খুঁড়তেই বেরোচ্ছে গুচ্ছ গুচ্ছ ভোটার কার্ড! চন্ডীতলার বিডিও অফিসে চাঞ্চল্য, বিতর্কে যুক্তিও দিল পঞ্চায়েত

দাবি, মাটি থেকে যে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার করা হয়েছে, তা সবই বাতিল। যাঁরা মৃত বা যাঁদের ডিজিটাল কার্ড হয়ে গিয়েছে, তাঁদের কার্ডগুলি বাতিল হিসাবে চিহ্নিত করে মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৫
হুগলির চন্ডীতলায় বিডিও অফিসের সামনে মাটি খোঁড়ার পর বেরিয়েছে একগুচ্ছ ভোটার কার্ড।

হুগলির চন্ডীতলায় বিডিও অফিসের সামনে মাটি খোঁড়ার পর বেরিয়েছে একগুচ্ছ ভোটার কার্ড। —নিজস্ব চিত্র।

হুগলির চন্ডীতলায় বিডিও অফিসের সামনে মাটি খুঁড়তেই চাঞ্চল্য। বেরিয়ে এল গুচ্ছ গুচ্ছ ভোটার কার্ড। কাদের কার্ড, কেনই বা তা পুঁতে দেওয়া হয়েছে, স্পষ্ট নয়। ফলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) মাঝেই এ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও বিতর্কে অন্য যুক্তি দিয়েছে স্থানীয় পঞ্চায়েত।

বিডিও অফিস সূত্রে দাবি, মাটি থেকে যে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার করা হয়েছে, তা সবই বাতিল। যাঁরা মৃত বা যাঁদের ডিজিটাল কার্ড হয়ে গিয়েছে, তাঁদের কার্ডগুলি বাতিল হিসাবে চিহ্নিত করে মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল। চন্ডীতলা ২ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য দফতরের কর্মাধ্যক্ষ প্রবীণ ঘোষের দাবি, অশোক স্তম্ভ থাকায় বাতিল ভোটার কার্ডগুলি তাঁরা পুড়িয়ে ফেলতে পারেননি। তাঁর কথায়, ‘‘বিডিও অফিসের পিছন দিকে এপিক কার্ডগুলো পাওয়া গিয়েছে। এগুলো সব বাতিল কার্ড। যাঁদের ডিজিটাল কার্ড হয়ে গিয়েছে, জমা দিয়ে গিয়েছেন। কেউ মারা গিয়েছেন, তাঁর কার্ড জমা পড়েছে। আমরা সেগুলো মাটিতে পুঁতে দিয়েছিলাম। জায়গাটা অসমান ছিল। এখন এসআইআর-এর শুনানি চলছে, তাই কার্ডগুলো বেরিয়ে এসেছে। এতে কোনও অসুবিধা হবে না।’’

বাতিল কার্ড পুড়িয়ে দেওয়া হল না কেন? প্রবীণের দাবি, ‘‘কার্ডে অশোক স্তম্ভ আছে, তাই ওগুলো তো পোড়ানো যায় না। আমরা পুঁতে দিয়েছিলাম। এতে কারও কোনও ক্ষতি হবে না।’’

Hooghly chanditala EPIC Card Voter Card
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy