মুচিবাজারে খাবারের দোকানে আচমকা হানা দিলেন খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকেরা। রাস্তার ধারের একাধিক দোকানের খাবার পরীক্ষা করে দেখা হয়। অভিযোগ, ছ’টি খাবারের নমুনা গুণগত মানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই সেই সমস্ত খাবার ফেলে দিতে বাধ্য করা হয় দোকানিদের। খাদ্য সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতার প্রসারের জন্যেও বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকেরা।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য সুরক্ষা কমিশনারের নির্দেশে এবং কলকাতা পুরসভার সহায়তায় কয়েক জন আধিকারিক মুচিপাড়ার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে হানা দেন। ১৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মোট ১৫টি খাবারের দোকানে বিশেষ নজরদারি অভিযান চালানো হয়। এই সমস্ত দোকান থেকে ৩১টি খাবারের নমুনা ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই পরীক্ষা করে দেখেন আধিকারিকেরা। সূত্রের খবর, চিকেন রোল, চিকেন কষার মতো নমুনা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গুণগত মানে ফেল করেছে ১.৫ কেজি চিকেন রোলের পুর, তিনটি দোকানের ১.৮ কেজি হলুদ গুঁড়ো, সাড়ে তিন কেজি লাড্ডু এবং দু’কেজি চিকেন কষা।
খাবারের গুণগত মান এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতনার প্রসারের জন্য এলাকায় দোকানি এবং ক্রেতাদের মধ্যে লিফলেট বিলি করা হয়েছে। খাবার তৈরির সময়ে ন্যূনতম পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বলা হয়েছে দোকানিদের। রান্না করা খাবার ভাল ভাবে ঢেকে রাখতে এবং দোকানের পাশে জঞ্জাল ফেলার ঢাকনা-সহ পাত্র রাখতে বলা হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকদের নির্দেশ, কোনও খাবারে সিন্থেটিক রঙ এবং প্যাকেটজাত নয় এমন মশলা ব্যবহার করা যাবে না। পানীয় জল ভাল ভাবে ঢেকে পরিচ্ছন্ন জায়গায় রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে দোকানিদের। খাবারে বেশি তেল ব্যবহার না করতে বলা হয়েছে।