E-Paper

জরুরি বিভাগে বসবে ক্যামেরা, নজর রাখবে স্বাস্থ্য ভবন

এত দিন জরুরি বিভাগে এক জন করে জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার (জিডিএমও) ও সিনিয়র রেসিডেন্ট দায়িত্বে থাকতেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ০৮:২২
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

জরুরি বিভাগ ও সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন জায়গায় বসবে সিসি ক্যামেরা। সরাসরি তাতে নজর রাখবে স্বাস্থ্য দফতর। ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ থাকবে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে। পাশাপাশি, জরুরি বিভাগের দায়িত্বে এ বার থাকবেন এক জন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর চিকিৎসকও। প্রথম পর্যায়ে শহরে পাঁচটি মেডিক্যাল কলেজে এই পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম।

সোমবার রাতে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এসএসকেএম, আর জি কর, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, কলকাতা মেডিক্যাল ও ন্যাশনাল মেডিক্যালের অধ্যক্ষ এবং সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যসচিব-সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্তারা। সেখানেই জরুরি বিভাগে সিসি ক্যামেরার নজরদারি-সহ একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। সমস্ত জেলার মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতালে এই ব্যবস্থা চালু হবে।

রেফারের নামে রোগীদের ভোগান্তি, দালাল-চক্রের রমরমার মূল উৎস জরুরি বিভাগ। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সেখানে নজরদারি করতে চান স্বাস্থ্যকর্তারাও, যাতে কখনও কোনও অভিযোগ এলে স্বাস্থ্য দফতর ফুটেজ পরীক্ষা করতে পারে। এত দিন জরুরি বিভাগে এক জন করে জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার (জিডিএমও) ও সিনিয়র রেসিডেন্ট দায়িত্বে থাকতেন। সিদ্ধান্ত হয়েছে, বয়স কম, এমন দু’জন জিডিএমও-কে জরুরি বিভাগে ডিউটি দিতে হবে। সঙ্গে থাকবেন এক জন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর চিকিৎসক। এত দিন জরুরি বিভাগে আসা রোগীকে প্রথমে যেতে হত চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর কাছে। এ বার থেকে রোগী যাতে প্রথমেই চিকিৎসকের নজরে আসেন, সেই ব্যবস্থা হবে।

প্রতিটি হাসপাতালকে চিকিৎসকদের এক মাসের ডিউটি রস্টার আগাম জমা দিতে হবে স্বাস্থ্য ভবনে। কাজে ফাঁকি ও উপস্থিতিতে কারচুপি রুখতে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের (এনএমসি) নিয়মানুযায়ী চিকিৎসকদের ‘ফেস রিকগনাইজ়ড অ্যাটেন্ড্যান্স’ এবং নন-মেডিক্যাল কর্মীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক হচ্ছে।

শহরের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের পুলিশ মর্গে ময়না তদন্তের জন্য টাকা লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। সে সব বরদাস্ত করা হবে না বলে বার্তা দেন স্বাস্থ্যসচিব। হাসপাতালে প্রয়োজনে সাদা পোশাকে নজরদারি করবে পুলিশ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Swasthya Bhaban Health Department

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy