E-Paper

কলকাতার কড়চা: পথের দেবতা, আজও

প্রায় একশো বছর পেরোতে চলেছে তার পর। নাগরিক সভ্যতার বহুতল রূপটি চোখে দেখার পরেও, আজও কেন বাঙালির মন পোড়ে এক নিশ্চিন্দিপুরের জন্য?

শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ০৯:৪১

বইখানা দাঁড়িয়ে আছে আপন সত্যের জোরে।’— পথের পাঁচালী সম্পর্কে লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই সত্য যে প্রকৃতির, মানুষের এবং এই দুইয়ে আশ্লিষ্ট জীবনেরই সত্য, আজও তা এতটুকু অস্বীকার করার নয়। বাড়ি, পরিবার, প্রিয়জন— সবার থেকে দূরে, অন্য এক নিসর্গ ও নিঃসঙ্গতার গহন থেকে যে অতুল রত্নোপন্যাস সেঁচে তুলছিলেন ভাগলপুরের কাছারির এস্টেট ম্যানেজার বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, আজও তা বাংলা সাহিত্যকে আলো দেখাচ্ছে। পথের পাঁচালী আজও দেখাচ্ছে পথ।

প্রায় একশো বছর পেরোতে চলেছে তার পর। নাগরিক সভ্যতার বহুতল রূপটি চোখে দেখার পরেও, আজও কেন বাঙালির মন পোড়ে এক নিশ্চিন্দিপুরের জন্য? অপু দুর্গা ইন্দির ঠাকরুণ হরিহর সর্বজয়া আজও কেন বঙ্গজীবনের তাবৎ আবেগ-অনুভূতির সর্বোত্তম প্রকাশ? যে জীবন ও বোধ, যে পথ থেকে উঠে এসেছিল এরা, উত্তর-সন্ধানে ফিরতে হয় তাদের কাছেই। ভাষ্যে, চলচ্চিত্রে, দৃশ্যকলায় বিভূতি-বিশ্বের ব্যাখ্যা হয়ে চলেছে একালে, সেই ধারায় নবতম সংযোজন প্রদর্শনী ‘পথের দেবতা: গড অব দ্য লিটল রোড’। গত ২৪ মার্চ শুরু হল কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি (কেসিসি)-তে, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও অপর্ণা সেনের উপস্থিতিতে।

বিভূতিভূষণের উত্তরপুরুষ তৃণাঙ্কুর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সযত্ন কিউরেশনের ফসল এই প্রদর্শনী। বিভূতিভূষণের লেখক ও ব্যক্তিজীবন, দুইয়েরই খোঁজ দিয়েছেন তিনি। বিভূতিভূষণের কলম এমনই, লেখার ও-পারের মানুষটি থেকে যান সঙ্গোপনে। নানা স্মারক এখানে হয়ে উঠেছে প্রদর্শ: বিভূতিভূষণের জামা, কলম (মাঝের ছবি), পারিবারিক আলোকচিত্র, পথের পাঁচালী-র খসড়া-সহ (উপরের ছবি) অচেনা-অদেখা অনেক কিছুর খোঁজ। থাকবে সংগ্রহযোগ্য কিছু শিল্পকৃতিও।

১৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে প্রদর্শনীটি, রবিবার বাদে, সকাল ১১টা-সন্ধ্যা ৬টা। আছে একগুচ্ছ অনুষ্ঠানও। আজ সন্ধে ৬টায় গৌতম ঘোষের ছবিতে বিভূতি-শ্রদ্ধার্ঘ্য ফকির, ২ এপ্রিল সকাল ১১টায় পথের পাঁচালী-র দৃষ্টিহীন-বান্ধব শ্রুতিবর্ণনাযুক্ত বিশেষ প্রদর্শন। ৩ এপ্রিল সন্ধে ৬টায় আব্দুল কাফি সন্মাত্রানন্দ ও তথাগত বন্দ্যোপাধ্যায় বলবেন ‘বিভূতিভূষণ ও ইন্দ্রিয়ের পরিসর’ প্রসঙ্গে; পরদিন একই সময়ে ‘অনুবাদে বিভূতিভূষণ’ নিয়ে অরুণাভ সিংহ দয়িতা মজুমদার ও অভিজিৎ গুপ্তের কথালাপ এগিয়ে নিয়ে যাবেন তৃণাঙ্কুর। ৯ এপ্রিল সকালে বিভূতিভূষণ নিয়ে কুইজ়, ১০ তারিখ সন্ধে ৬টায় আলোচনায় রুশতী সেন ও তপোব্রত ভাদুড়ি, ১১ তারিখ সন্ধেয় ‘সিনেমায় বিভূতিভূষণ’ প্রসঙ্গে কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ‘বিভূতিভূষণ ও কলকাতা’ নিয়ে দীপাঞ্জন ঘোষ। ১৩ সন্ধেয় মজদুর ইউনিয়ন-এর উপস্থাপনা বিভূতিবাবু বাড়ি আছেন?, ১৪ এপ্রিল সন্ধেয় ‘বিভূতিভূষণ ও সত্যজিৎ’ নিয়ে আলোচনায় সন্দীপ রায় পিনাকী দে প্রমুখ। ৩, ৪ ও ১০ এপ্রিল ‘বিভূতিভূষণ ও অলৌকিক’ নিয়ে গল্পকথন, যথাক্রমে অনির্বাণ ভট্টাচার্য ঋতব্রত মুখোপাধ্যায় ও আরজে অগ্নির পরিবেশনায়।

শতবর্ষে

‘দশনামী টং ঘরে, আমি রাজা,/ প্রথম মণীন্দ্রগুপ্ত।’ আত্মপরিচয়ের সীমা অতিক্রম করে এই পঙ্‌ক্তি বহন করে বাংলা কবিতায় তাঁর স্বতন্ত্র অবস্থান। ঘৃণা করতেন প্রচারের লোভকে। নিজ অস্তিত্বের দু’পাশে অনন্ত কালকে রেখে যে জীবনকে দেখেছেন, তার‌ই প্রকাশ যেন নীল পাথরের আকাশ, লাল স্কুলবাড়ি, নমেরু মানে রুদ্রাক্ষ-র মতো কাব্যগ্রন্থে। বনে আজ কনচের্টো-র একাধিক সম্মানপ্রাপ্তি অশীতিপর কবির জীবনে কোন‌ও জরুরি ঢেউ না তুললেও আমাদের মুখরক্ষা করেছিল, বলার অপেক্ষা রাখে না। সম্পাদনা করেছেন আবহমান বাংলা কবিতা, লিখেছেন কবিতার আলোচনা দ্রাক্ষাপুঞ্জ, শুঁড়ি ও মাতাল, আত্মজীবনী অক্ষয় মালবেরি, অন্য দিকে নুড়ি বাঁদর, নেংটি-র মতো গদ্যের ব‌ই। মণীন্দ্র গুপ্তের শতবর্ষের (জন্ম ১৯২৬) কথা মনে করিয়ে আদম পত্রিকা ও প্রকাশনা আজ বিকেল ৫.১৫-য় স্মরণ করবে তাঁকে। কলেজ স্ট্রিটে তাদের দফতরে হবে আলোচনা, গ্রন্থপ্রকাশ। ছবি, প্রচারপত্র থেকে।

চার কবির গান

আরও কিছু দিন বাকি আছে বৈশাখী আগমনের। রবীন্দ্রজন্মোৎসব তো বাঙালির প্রাণের উদ্‌যাপন, তবে ‘পঞ্চকবি’র আরও যে চার জন— দ্বিজেন্দ্রলাল রায় অতুলপ্রসাদ সেন রজনীকান্ত সেন ও কাজী নজরুল ইসলাম— বঙ্গমানসে তাঁদের গানের চর্চাকে এই সময়ে যত্নে-আদরে সামনে নিয়ে এসেছেন ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, গোলপার্কের আয়োজনে বিবেকানন্দ হল-এ তাঁর ‘নিবেদনের গান’, দ্বিজেন্দ্রলাল অতুলপ্রসাদ রজনীকান্ত ও নজরুলের ভক্তিরসগীতি। শিল্পীর সঙ্গে থাকবেন ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় মিউজ়িক অ্যাকাডেমি-র ছাত্রীরাও, সঙ্গে সৌমিত্র মিত্রের ভাষ্যপাঠ।

বারাব্বা

জিশুখ্রিস্টের মৃত্যুর দিনটি চিহ্নিত গুড ফ্রাইডে বলে। মার্ক-কথিত সমাচারে মেলে, জিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয় সকাল ৯টায়, দুপুর ৩টেয় তাঁর যন্ত্রণার উচ্চারণ ‘হে প্রভু, হে প্রভু, কেন তুমি আমায় পরিত্যাগ করলে?’ এবং তার পর মৃত্যুবরণ। বিস্ময়কর সমাপতন— ‘যাদবপুর রম্যাণী’ নাট্যদল আগামী ৩ এপ্রিল গুড ফ্রাইডে-তে দুপুর ৩টেয় অ্যাকাডেমি মঞ্চে মঞ্চস্থ করবে নতুন নাটক বারাব্বা— উন্মত্ত জনতার চাপে দুর্বৃত্ত বারাব্বার নিষ্কৃতি ও ঈশ্বরপুত্রের ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার আখ্যান। জিশুখ্রিস্ট চরিত্রটিকে দেখা যায় না, কিন্তু নাটক জুড়ে ছড়িয়ে তিনি। বারাব্বার চরিত্রে শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, সঙ্গে বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী সঞ্জিতা মুকেশ চক্রবর্তী দেবলীনা চক্রবর্তী প্রমুখ। রচনা ও নির্দেশনায় সৌমিত্র বসু।

কমিক্স নিয়ে

শহর কলকাতায় ইদানীং কমিক্সের চর্চা রসজ্ঞ-বৃত্ত থেকে জনপরিসরের একটা বড় অংশেও বিস্তার পেয়েছে। নিরীক্ষাধর্মী নতুন নানা কাজ করছেন কমিক্স-শিল্পীরা, গ্রাফিক নভেলের বিক্রিবাটা ও পাঠকপ্রিয়তা বেড়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে হচ্ছে আলোচনা। এই সব মাথায় রেখেই এ বার অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের সাউথ গ্যালারিতে হচ্ছে চিত্র ও কমিক্স প্রদর্শনী ‘ওয়েভ’, ২৯ মার্চ-৪ এপ্রিল। অ্যানিমেশন অ্যান্ড এন্টারটেনমেন্ট কাউন্সিল, ডব্লিউআইসিসিআই ও সফটুনস এন্টারটেনমেন্ট মিডিয়া এলএলপি-র যৌথ আয়োজন, শুরু আগামীকাল দুপুর ২টোয়। ভারতে ও বঙ্গে কমিক্সের এখনকার হালহদিস, কমিক্সের ভবিষ্যৎ ও ওয়েব কমিক্স, কমিক্সে সৃষ্টিশীলতার বহুমুখ নিয়ে কথালাপে থাকবেন এই সময়ের কমিক্স-জগতের শিল্পী, বিশেষজ্ঞরা।

আজও চমৎকার

শুধুই কি ছেলে-ভুলানো রূপকথা আর শিশুসাহিত্যের ক্ষেত্রেই উচ্চারিত তাঁর নাম? দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার লোকসাহিত্যের সংগ্রাহক তো ছিলেনই, ছড়াকার, কিশোর কথাকার রূপেও তাঁর গুরুত্ব অশেষ। সেই অবদান স্মরণে শ্রীঅরবিন্দ ভবন, কলকাতা ও ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজ় একত্রে আয়োজন করছে ‘জন্মসার্ধশতবর্ষে দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার’ শীর্ষক অনুষ্ঠান, আজ শ্রীঅরবিন্দ ভবনে বিকেল ৪টে থেকে। তাঁর সাহিত্যকৃতির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বলবেন পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জয়দীপ চক্রবর্তী সুমিতা চক্রবর্তী শৈলেন্দ্র লাহা। এতেই শেষ নয়, প্রদর্শিত হবে দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের বই, চিঠিপত্র-সহ নানা স্মারক, সঙ্গে পুরনো দিনের বঙ্গীয় কাঠখোদাইয়ের সরঞ্জাম ও নমুনা। জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যের কাঠখোদাই কর্মশালা, ঠাকুরমার ঝুলি-র ছবি নিয়ে স্কুলপড়ুয়াদের বসে আঁকো প্রতিযোগিতা— অনেক কিছু!

যুগলবন্দি

যুগলবন্দি বললেই মনে পড়ে সাঙ্গীতিক জুটি-জুড়িদের কথা। তবে ‘মূলসুর’ই যদি প্রাণভোমরা, তবে কার্টুন আর ক্যারিকেচারেও হতে পারে জমজমাট যুগলবন্দি। সপ্তর্ষি প্রকাশন ও রিড বেঙ্গলি বুক স্টোর এক অভিনব চিত্রপ্রদর্শনীতে মিলিয়েছে অনুপ রায়ের ক্যারিকেচার ও দেবাশীষ দেবের কার্টুনকে। গতকাল থেকে প্রদর্শনী শুরু হয়েছে গ্যালারি চারুবাসনার সুনয়নী সভাগৃহে, চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত, ২টো-৮টা। তবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে রবিবাসরীয় সন্ধ্যায়, থাকবেন হিরণ মিত্র ও মুনমুন সেন। কার্টুন ও ক্যারিকেচার নিয়ে এ-হেন আয়োজন যে অভিনব ও ভিন্নস্বাদের তা মানতেই হবে— সঙ্গের ছবিতে সুচিত্রা সেনের ক্যারিকেচার, তার ডান দিকে কার্টুনে পাখি দেখতে আসা মানুষটি খানিক ভ্যাবাচ্যাকা গাছের গায়ে সাঁটা বিজ্ঞপ্তি দেখে: ভ্রমণের পাশাপাশি বিশুদ্ধ জল-হাওয়ার জন্যও গুনতে হবে টাকা! দুই শিল্পীর মোট ৭৫টি কাজ, দেখার পাশাপাশি সংগ্রহের সুযোগও।

আত্মজৈবনিক

সোমনাথ হোর ও রেবা হোরের কন্যা, এ-ই কি পরিচয় চন্দনা হোরের? দিল্লিতে জন্ম, শান্তিনিকেতনে পাঠভবন-কলাভবনে শিক্ষা, কে জি সুব্রহ্মণ্যন যোগেন চৌধুরী সুহাস রায় সেলিম মুন্সিরা মাস্টারমশাই। যোগেন চৌধুরী পরামর্শ দেন ছবি আঁকার জগৎ বড় করতে শান্তিনিকেতনের বাইরে যেতে। অতঃপর কলকাতা, আমদাবাদ; মকবুল ফিদা হুসেনের তেলরং ‘এক্সপ্লোর’ করার পরামর্শ শিল্পভাষা নির্মাণে সহায় হয়েছে, দিল্লিতে ইব্রাহিম আলকাজ়ির কাছে শিক্ষানবিশি দিয়েছে পথদিশা। ষাট পেরিয়ে গড়ে তুলেছেন আত্মজৈবনিক চিত্রভাষা, ছবিতে নিজ ‘অরক্ষিত অস্তিত্ব’-এর প্রকাশ। দেবভাষা বই ও শিল্পের আবাসে আজ বিকেলে শুরু হচ্ছে তাঁর প্রদর্শনী ‘আ বোট অব মাই ওন কালারস’, তেলরং প্যাস্টেল জলরং ভাস্কর্য ড্রয়িং: চার দশকের শতাধিক কাজ (ছবি)। প্রকাশ পাবে নতুন বই, পরাণভ্রমর। ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত, ছুটির দিন বাদে রোজ ২টো-৮টা।

বিশ্বের ছবি

তিন দিনে ২৬টি ছবি— ৮টি কাহিনিচিত্র, ১১টি ছোট ছবি, দু’টি করে শর্ট ফিচার ও ডকুমেন্টারি, ৩টি অ্যানিমেশন-ছবি। ফোরাম ফর ফিল্ম অ্যান্ড অ্যালায়েড আর্টস ও এনইজ়েড ফাউন্ডেশন-এর একত্র উদ্যোগে আইসিসিআর-এর সত্যজিৎ রায় প্রেক্ষাগৃহে আন্তর্জাতির চলচ্চিত্র উৎসব আগামী ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল। জার্মানি ডেনমার্ক কিউবা রাশিয়া বেলজিয়াম আর্জেন্টিনা অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র, ভানুয়াটুর মতো চলচ্চিত্র-পরিসরে প্রায়-অনালোচিত দেশের ছবি। ভারতেরও নানা প্রান্তের একগুচ্ছ ছবি— ফারহা খাতুনের ইদ কা কুর্তা, দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের দ্য টার্টল ওরিজ়, টি দীপেশ-এর অ্যাকোয়ারিয়াম, অনির্বাণ চক্রবর্তীর ঝাঁকলাই-সহ এই সময়ের বহু-আলোচিত বাংলা কাহিনিচিত্র, প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের নধরের ভেলা। উৎসব প্রথম দু’দিন দুপুর সাড়ে ৩টে, শেষ দিন দুপুর ১টা থেকে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Kolkatar Karcha Bibhutibhushan Bandyopadhyay Satyajit Ray Pather Panchali Bengali Culture Bengali Tradition

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy