বেআইনি নির্মাণের ‘শাস্তি’ দিতে নয়ডায় জোড়া অট্টালিকা ভেঙে ফেলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। এ বার বম্বে হাই কোর্টও আইনভঙ্গকারীকে ‘একই পরিণতি’র হুঁশিয়ারি দিল।
বুধবার বেআইনি ভাবে নির্মাণের কাজ শুরু করা এক সংস্থাকে সতর্ক করে বম্বে হাই কোর্ট বলেছে, ‘‘নয়ডায় সুপারটেকের জোড়া অট্টালিকার দশা তোমাদেরও ভবিষ্যৎ হতে পারে।’’
খেলার মাঠের জন্য সংরক্ষিত জমিতে নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল একটি সংস্থা। হাই কোর্টে ওই সংস্থার নামে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। বুধবার সেই মামলা ওঠে বম্বে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি এম এস কার্নিকের বেঞ্চে। মামলাটির শুনানি চলাকালীনই হুঁশিয়ার করা হয়ে বেআইনি নির্মাণে অভিযুক্ত ওই সংস্থাকে। নয়ডার জোড়া অট্টালিকার কথা মনে করিয়ে দিয়ে আদালত জানিয়ে দেয়, নির্মাণ বন্ধ না করলে ওই সংস্থাটিরও সুপারটেকের জোড়া অট্টালিকারই পরিণতি হবে।
আরও পড়ুন:
-
স্বামীর হাতে ও শ্বশুরবাড়িতে নারী নির্যাতনে সবচেয়ে উপরে পশ্চিমবঙ্গ, বলছে জাতীয় সমীক্ষা
-
কনস্টেবলের চাকরিতে বাড়ল বয়ঃসীমা, পুলিশ দিবসের আগে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতার
-
‘পেপারওয়েট রাখি না, ভয় পাবেন না আইনজীবীদের’, বিচারপতিদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বললেন অরুণাভ
-
জুন যেন ফোন করে বলে ক্ষমা চেয়েছ, মন্ত্রী শ্রীকান্তকে বিধায়কের কাছে নত হতে নির্দেশ মমতার
মুম্বইয়ের লাগোয়া শহরতলি খারের একটি খেলার মাঠে বেআইনি ভাবে নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। গত সপ্তাহেই আদালত ওই নির্মাণে স্থগিতাদেশ দেয়। পরে ঘটনাস্থল সরেজমিনে দেখে এসে রিপোর্ট দেওয়া দায়িত্ব দেওয়া হয় এক স্থপতিকে। বুধবার মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে ওই নির্মাণ সংস্থা আদালতকে নির্দেশ প্রত্যাহারের আর্জি জানায়। স্থগিতাদেশ তুলে নিতে বলে। তারই জবাবে ওই মন্তব্য করে আদালত ।
উল্লেখ্য, গত রবিবারই নির্মাণ সংস্থা সুপারটেক নির্মিত দু’টি যমজ ইমারত বিস্ফোরকের সাহায্যে ভেঙে ফেলা হয় নয়ডায়। প্রায় ১০ বছর ধরে ওই ইমারত দু’টি নিয়ে আইনি লড়াই চলেছিল আদালতে।