E-Paper

ঝুলন্ত দেহ তরুণীর, স্ত্রীর ছবি ‘ভাইরাল’ করে পলাতক স্বামী

জানা গিয়েছে, ধানতলা থানা এলাকার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রায় চার বছর আগে সম্পর্ক গড়ে ওঠে পাশের গ্রামের এক যুবকের। যুবক পেশায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৩ ০৯:১৯
স্ত্রীর ঝুলন্ত দেহের ছবি ভাইরাল করল এক ব্যক্তি।

স্ত্রীর ঝুলন্ত দেহের ছবি ভাইরাল করল এক ব্যক্তি। প্রতীকী চিত্র।

তরুণীর আপত্তিকর মুহূর্তের ছবি সমাজমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ করার অভিযোগ উঠল তাঁরই স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সেই অপমানেই আত্মঘাতী হয়েছেন ওই তরুণী। মৃতের বয়স ২৩ বছর। মৃত তরুণীর বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত পলাতক। তার খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ধানতলা থানা এলাকার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রায় চার বছর আগে সম্পর্ক গড়ে ওঠে পাশের গ্রামের এক যুবকের। যুবক পেশায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করত। দু’জনে বিয়েও করেন। দম্পতির দু’বছরের এক পুত্রসন্তান রয়েছে। তরুণীর বাপের বাড়ির অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তরুণীর সঙ্গে জামাইয়ের নিয়মিত অশান্তি হত। অভিযোগ, বাধ্য হয়ে ওই তরুণী দু’বছর আগে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাপের বাড়ি চলে আসেন। সম্প্রতি তরুণী তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের মামলাও করেন। আরও অভিযোগ, ওই মামলা তুলতে চাপ দিচ্ছিল তাঁর স্বামী। মামলা না তোলার কারণেই অভিযুক্ত যুবক স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়, এমনটাই অভিযোগ তরুণীর স্বামীর বিরুদ্ধে। এর পর রবিবার সন্ধ্যায় ওই তরুণীকে তাঁর বাপের বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের অন্য সদস্যেরা। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তরুণীকে মৃত বলে জানিয়ে দেন।

মৃত তরুণীর বাবার অভিযোগ, ‘‘বধূ নির্যাতনের মামলার প্রতিশোধ নিতে জামাই আমার মেয়ের ব্যক্তিগত মুহূর্তের কিছু ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। সেই অপমান সহ্য করতে না পেরে মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে।’’

পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর দেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। সোমবার তরুণীর বাবা যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি যাতে দ্রুত সরিয়ে ফেলা যায়, সেই জন্য সাইবার ক্রাইম বিশেষজ্ঞদের সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Ranaghat Hanging Body

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy