চাকদহ ব্লক অফিসের সামনে একটা টোটো গাড়িতে ৯ দিন বয়েসের নাতনি অনুপমাকে নিয়ে বসেছিলেন চাকদহ থানার চাপাতলার বাসিন্দা সীমা বিশ্বাস। খিদে পাওয়ার নাতনিকে একটা বোতলে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। মাঝে মাঝে রাস্তার দিকে তাকাচ্ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাকদহ ব্লকের শিলিন্দা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলার বাড়ি সীমার। তাঁর মেয়ে মৌ বিশ্বাস নয় দিন আগে মেয়ে অনুপমার জন্ম দিয়েছেন।
বুধবার নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধনের শুনানির জন্য মৌয়ের ডাক পড়েছিল চাকদহ ব্লক অফিসে। এ দিন সকালে একটি টোটোতে মা এবং ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে বাপেরবাড়ি থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে তাতলা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কামালপুর গ্রামে চাকদহ ব্লক আসেন মৌ। ব্লক অফিসের সামনে মেয়েকে মায়ের কাছে রেখে অফিসের ভিতরে শুনানির জন্য যান মৌ।
সীমা বলেন, ‘‘অনুপমার বয়স নয় দিন। সিজার করে নাতনির জন্ম হয়েছে। মাত্র কয়েকদিনের বয়েসের নাতনিকে বাড়িতে রেখে কি করে আসি। তাই সঙ্গে নিয়ে এসেছি।’’ ভোটার তালিকায় বাবার নাম ভুল থাকায় শুনানির জন্য মৌকে ব্লক অফিসে ডাকা হয়েছিল। কিছু পরে শুনানি সেরে মৌ টোটোর কাছে ফেরেন। বলেন, ‘‘শুনানির জন্য ব্লক অফিসে ডাকা হয়েছিল বলে আসতে হয়েছে। এত ছোট মেয়েকে বাড়ি রেখে আসার উপায় ছিল না।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শুরু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। গ্রাম থেকে শহর, বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছোতে শুরু করেছেন কমিশনের বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও)। শুরু হয়ে গিয়েছে এনুমারেশন ফর্ম বিলিও।
- শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, দেশের আরও ১১টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেও একই সঙ্গে শুরু হয়েছে এসআইআরের কাজ। যাঁরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন, তাঁদের জন্য অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করার ব্যবস্থা করেছে কমিশন।
-
ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া বুথভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করে দিল নির্বাচন কমিশন, নাম দেখা যাবে কমিশনেরই ওয়েবসাইটে
-
অন্ধকারে ঢিল ছুড়বে না সুপ্রিম কোর্ট! এসআইআর মামলায় ফর্ম-৬ নিয়ে তৃণমূলের দাবি ওড়ালেন প্রধান বিচারপতি
-
ট্রাইবুনালে কাজই শুরু হয়নি, প্রবেশেও বাধা! নতুন মামলা সুপ্রিম কোর্টে, কী হচ্ছে জানতে চাইবেন প্রধান বিচারপতি কান্ত
-
ভোটার ট্রাইবুনালের কাজ শুরু! মোথাবাড়ি মাথায় রেখে কঠোর নিরাপত্তা, দফতর দর্শনে গিয়ে কী দেখল আনন্দবাজার ডট কম
-
পরিকাঠামো তৈরি, সোমবারেই ট্রাইবুনালে শুরু হয়ে যাবে শুনানি! রবিতে জোকার অফিস ঘুরে দেখে সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাক্তন বিচারপতিরা
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)