Advertisement
E-Paper

রাস্তায় হাঁ করা গর্ত দেখে ঢুকতে চায় না অ্যাম্বুল্যান্স

আবেদন, নিবেদন, অনুনয়—কোনও কিছুই বাদ যায়নি। কিন্তু খোয়া উঠে যাওয়া রাস্তায় এক ঝুড়ি মাটি ফেলেনি পঞ্চায়েত। এ বার তাই পঞ্চায়েতের ভরসায় না থেকে সরাসরি জেলা শাসকের কাছে রাস্তা সংস্কারের আবেদন জানালেন কৃষ্ণনগর ১ ব্লকের চরশম্ভুনগরের গ্রামবাসীরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০১৬ ০০:৫৭
এমনই বেহাল দশা রাস্তার। —নিজস্ব চিত্র

এমনই বেহাল দশা রাস্তার। —নিজস্ব চিত্র

আবেদন, নিবেদন, অনুনয়—কোনও কিছুই বাদ যায়নি। কিন্তু খোয়া উঠে যাওয়া রাস্তায় এক ঝুড়ি মাটি ফেলেনি পঞ্চায়েত। এ বার তাই পঞ্চায়েতের ভরসায় না থেকে সরাসরি জেলা শাসকের কাছে রাস্তা সংস্কারের আবেদন জানালেন কৃষ্ণনগর ১ ব্লকের চরশম্ভুনগরের গ্রামবাসীরা।

সোমবার জনা ষাটেক গ্রামবাসীদের সই সম্বলিত একটি ‘মাস পিটিশন’ জমা দেওয়া হয়। গ্রামের বাসিন্দা রামেশ্বর চৌধুরী,বলিরাম চৌধুরীরা বলেন, “জেলা প্রশাসনের কর্তাদের কাছে রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন জানিয়েছি। দেখা যাক হয়।’’ রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা না নিলে ভোট বয়কটের হুমকিও দেন গ্রামবাসীদের একাংশ।

গ্রামবাসীরা জানান, চৌধুরিপাড়া, মাঝেরপাড়া, ও কৈরিপাড়ার একাংশ মিলিয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার লম্বা ওই রাস্তার হাল খুবই খারাপ। বছর পাঁচেক আগে রাস্তায় ইট পড়েছিল। তারপর থেকে একবারও রাস্তা সংস্কার হয়নি। এ দিকে ইট কবেই ক্ষয়ে গিয়েছে। এখন রাস্তা জুড়ে স্থানে স্থানে ছোটবড় গর্ত। রাস্তায় হাঁ করা গর্ত দেখে গ্রামে অ্যাম্বুল্যান্স ঢুকতে চায় না। বর্ষাকালে সমস্যা হয় সবচেয়ে বেশি। গ্রামে দেড় হাজার বাসিন্দা বসবাস করেন। কমবেশি সকলকেই সমস্যায় পড়তে হয়।

Advertisement

চরশম্ভুনগরের গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য সিপিএমের রামকেশি চৌধুরী বলেন, “রাস্তা সংস্কারের জন্য পঞ্চায়েত প্রধানকে লিখিত ভাবে জানিয়েছিলাম। কিন্তু গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বিরোধীদলের হওয়ায় এলাকার রাস্তা সংস্কার করা হয়নি। ফের গ্রামের লোকজন একজোট হয়ে জেলা প্রশাসনের কর্তাদের কাছে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছি।”

রাস্তা খারাপের কথা স্বীকার করেছেন তৃণমূল পরিচালিত রুইপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শীতলচন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন, “ওই এলাকায় অনেক রাস্তাই খারাপ। সব রাস্তা সংস্কারের ক্ষমতা গ্রাম পঞ্চায়েতের নেই। বিরোধীদলের পঞ্চায়েত সদস্য বলে ওই রাস্তা মেরামত করা হয়নি এমন অভিযোগ ঠিক নয়।’’

কৃষ্ণনগর মহকুমাশাসক মৈয়েত্রী গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এমন কোনও আবেদন হাতে পাইনি। হাতে পেলে খতিয়ে দেখব।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy